বেলদা ,দাঁতন সহ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক এলাকায় প্রভাব পড়ল অর্নবের

৩৬৫দিন।অশোক কুমার মণ্ডল। মেদিনীপুর। ঘূর্ণিঝড় অর্নবের প্রভাব পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা , দাঁতন, মোহনপুর, নারায়ণগড়, কেশিয়াড়ি, মেদিনীপুর, শালবনি সহ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুরের পর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায় এরপর শুরু হয় ঝড়ো বাতাস ও মুষলধারে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি।। যার ফলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা ও দাঁতন এলাকায় ঝড়ের দাপট ছিল ব্যাপক। যার ফলে একাধিক জায়গায় রাস্তার উপর গাছ ভেঙে পড়েছে ,বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে ,কোথাও আবার টোটোকে ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎ হীন হায় পড়েছে। তাই সমস্যায় পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
বিশেষ করে দাঁতন থানার সুবর্ণরেখা নদীর তীরবর্তী এলাকার গ্রামগুলিতে ঝড়ের দাপটে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার পর গাছ ভেঙে পড়ায় যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। অপরদিকে অর্ণব ঘূর্ণিঝড় এর ফলে বৃষ্টি শুরু হয় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ,গোয়ালতোড়, গড়বেতা ,চন্দ্রকোনা রোড এলাকায় মাঠের পাকা ধান মাঠেই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।। যদি একটানা এভাবেই বৃষ্টি চলতে থাকে তাহলে ধান চাষের প্রচুর ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে, সেই সঙ্গে পরিস্থিতির উপর নজরদারি শুরু করা হয়েছে।। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার প্রতিটি ব্লক প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে যেভাবে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে ঝড়ো বৃষ্টির শুরু হয়েছে যার ফলে বেশ কিছু মাটির বাড়ি যেমন ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা তেমনি ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। পশ্চিম মেদিনীপুরের পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার উপকূলবর্তী এলাকাতেও অর্ণবের প্রভাব ধীরে ধীরে পড়তে শুরু করেছে। মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকে সুন্দরবন কোস্টাল এলাকার একাংশে বৃষ্টি শুরু হয়। দীঘা মন্দারমণি সহ উপকূল এলাকায় পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন না হলেও সমুদ্র ধীরে ধীরে উত্তাল হচ্ছে। পর্যটকরা যাতে সমুদ্রে না নামেন তার জন্য প্রচার চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

Scroll to Top