৩৩ বছর বয়সে ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেন

৩৬৫ দিন।অরিজিৎ কর।  দ্বিতীয় ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে সেরার পুরস্কার এল তাঁর ঝুলিতে। কেরিয়ারের সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপে তিনি যেই পারফরম্যান্স করেছেন, তাতে তাঁর হাতে সেরার পুরস্কার ওঠা প্রত্যাশিতই ছিল। বিশ্বের সেরা ফুটবলার হওয়ার তাঁর এই যাত্রায় যিনি সবসময় সঙ্গে ছিলেন তিনি হ্যারি কেনের স্ত্রী কেটি গুডল্যান্ড। শৈশব থেকে বর্তমানে পর্যন্ত হ্যারি কেনের পাশে দাঁড়িয়েছেন কেটি।সেই শৈশবের এক মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি হয়েছিল ২০০৫ সালে। লন্ডনের গ্রিনউইচে তখন শুরু হচ্ছে ডেভিড বেকহ্যামের নতুন ফুটবল অ্যাকাডেমি। উদ্বোধনী সেই অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিল বছর এগারোর দুই স্কুলপড়ুয়া—হ্যারি কেন ও কেটি গুডল্যান্ড। কিংবদন্তি বেকহ্যামের দুই পাশে দাঁড়িয়ে সেই দুই শিশুর হাসিমুখের একটি ছবি তোলা হয়েছিল। তখন বেকহ্যাম বা সেই দুই শিশুর কেউই কল্পনা করতে পারেননি যে, প্রায় দুই দশক পর সেই ছোট্ট ছেলেটিই একদিন বেকহ্যামের মতো ইংল্যান্ডের আর্মব্যান্ড পরে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন, আর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সেই বালিকাটিই হয়ে উঠবে তাঁর জীবনসঙ্গিনী।

Scroll to Top