জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করিয়েই ছাড়ব
মোদি সরকারকে চ্যালেঞ্জ ককরোচদের

৩৬৫ দিন। জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করিয়েই ছাড়ব,জেল মুক্তির পর প্রথম বার প্রকাশ্যে মুখ খুলে কেন্দ্রে মোদি সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। আদালতের নির্দেশে আপাতত তারা কোনও আন্দোলনে যোগ দিতে পারবেন না। শান্তিভঙ্গ হয় এমন কোনো পদক্ষেপ করতে পারবেন না। তারপরেও সৌরভ ও রাঙ্কা শুক্রবার বলেন, ককরোচদের আন্দোলন কারোর একার আন্দোলন নয়। এই আন্দোলন দেশের প্রতিটি মানুষের। তাই আন্দোলন চলবে। অনেকের মতে, সিজেপি-র আন্দোলনে প্রথম দিন থেকে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে সৌরভ ও রাঙ্কাকেই নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনাতেও তারাই প্রতিনিধিত্ব করে, কিন্তু যন্তরমন্তরে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে তাদের গ্রেফতারি এবং মুক্তি পেলেও আন্দোলনে না থাকার শর্তের ফলে তাদের অনুপস্থিতি যাতে আন্দোলনে প্রভাব না ফেলে তাই আন্দোলন চলবে বার্তা দিতে এগিয়ে আসতে হল সৌরভ-রাঙ্কাকে।
শুক্রবার মন্দির মার্গ থানা এলাকার স্পেশ্যাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট -এর সামনে পৃথক মামলায় হাজিরা দেওয়ার পরই তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতেই হবে এবং এই অধিকার রক্ষার আন্দোলন কোনও অবস্থাতেই থামবে না। সিজেপি-র সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, “আমাদের এই আন্দোলন যেমন চলছিল, তেমনই চলবে। দেশের সাধারণ মানুষ আমাদের হাতে যে বিশ্বাস ও প্ল্যাটফর্ম তুলে দিয়েছেন, আমরা কেবল তার দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করছি। আমরা যখন জেলে বন্দি ছিলাম, তখনও এই আন্দোলন থামেনি”। তিনি যোগ করেন, “গত কয়েকদিনে আমরা নিজেদের এবং বর্তমান শাসনের কাজ করার পদ্ধতি সম্পর্কে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা আমাদের কৌশল পরিবর্তন করব।” সৌরভ বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন কোনও একজনের আন্দোলন নয়। এই আন্দোলন ছাত্র যুব সহ সমাজের প্রতিটি মানুষের আন্দোলন। তাই এই আন্দোলন দমানো যাবে না।’ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিন সৌরভ জোটবদ্ধ আন্দোলনের কথা বলেন, তাঁর কথায়,একজোট হয়ে আন্দোলন করতে হবে। তবেই লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে। জোটবদ্ধ আন্দোলন হোক,জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করিয়েই ছাড়ব।

Scroll to Top