৩৬৫ দিন। উপনির্বাচনের ঠিক মুখেই আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতাকর্মীদের পুলিশি হেনস্থা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেফতার করা হচ্ছে।এই অভিযোগে সরব হয়ে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি “বিজেপির হয়ে দালালি” করার অভিযোগ তুলে রেজিনগর থানার সামনে ধর্না অবস্থানে বসেছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামের পাশাপাশি রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে।
তার আগে দলীয় কর্মীদের মনোবল ভাঙতে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন হুমায়ুন কবীর। বৃহস্পতিবার রেজিনগর থানার বাইরে দাঁড়িয়ে হুমায়ুন কবীর দাবি করেছেন, এলাকায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করছে স্থানীয় থানার পুলিশ আধিকারিকেরা। হুমায়ুন বলেন, “পুলিশ প্রতিটি দলকে প্রচার করতে দিচ্ছে, ফ্ল্যাগ টাঙাতে দিচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির হয়ে কথা বলছে বা আমাদের ভোট দেওয়ার কথা ভাবছে, তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। পুলিশ বলছে তারা নিজেরাই ভোট লুঠ করবে! ভোট যদি লুঠই করতে হয়, তবে ওসির চেয়ারে বসে লাভ কী? বিজেপির হয়ে দালালি করছে পুলিশ।” শাসকদল ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রেজিনগর ও পার্শ্ববর্তী থানার পুলিশ প্রশাসনের রদবদলের দাবি জানিয়েছেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, “বেলডাঙা থানার আইসি, রেজিনগর থানার ওসি এবং শক্তিপুরের ওসিকে স্বপদে রেখে এই এলাকায় কোনোদিন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট সম্ভব নয়। আমরা ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এই আধিকারিকদের সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছি। মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা কমিশনকেই করতে হবে। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে আমাদের এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। পরিস্থিতির বদল না হলে ভোটের দিনও সারাদিন আমরা থানার সামনে অনশনে বসব।” পাশাপাশি হুমায়ুনের অভিযোগ, উপনির্বাচনের আগে তাঁর দলকে প্রচারই করতে দেওয়া হচ্ছে না।
দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে রেজিনগর থানার সামনে ধর্নায় হুমায়ুন কবীর




