৩৬৫ দিন। মাত্র তিন মাস আগে বিয়ে। পরিবার বারণ করলেও জোর করে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ফেলেন দমদমের বাসিন্দা মহিলা। মঙ্গলবার রাতে সদ্য বিবাহিতা মহিলার গলায় ফাঁস দেওয়া দেহ উদ্ধার হল শ্বশুড়বাড়ি থেকে। মৃতার মায়ের অভিযোগ জামাইয়ের দুটি বিয়ের কথা জেনে ফেলাতেই তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, নিহত মহিলার নাম রিয়া দেবনাথ। দমদমের বাসিন্দা রিয়া একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। সেই সূত্রে তার সঙ্গে প্রসেনজিৎ বসু নামে একটি ছেলের পরিচয় হয়। সেই পরিচয় ক্রমে ঘনিষ্ঠতায় গড়ায় সেখান থেকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। যদিও প্রসেনজিৎয়ের সঙ্গে বিয়েতে আপত্তি ছিল রিয়ার পরিবারের। সেই আপত্তি উড়িয়ে তিন মাস আগে কার্যত এক কাপড়ে বাড়ি ছেড়ে প্রসেনজিৎকে বিয়ে করে সে। রিয়ার মায়ের অভিযোগ বিয়ের পর থেকেই তার মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলতো। কয়েকদিন আগে রিয়া জানতে পারে এটি প্রসেনজিতের দ্বিতীয় বিয়ে। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে অশান্তি চরম আকার নেয়। মঙ্গলবার রাতে রিয়া তার মা’কে ফোন করে জানায় প্রসেনজিৎ তাকে মারধর করছে। খবর পেয়ে তার মা রিয়ার শ্বশুরবাড়িতে এসে দেখেন রিয়ার মৃত্যু হয়েছে তার গলায় ফাঁস দেওয়া রয়েছে। রিয়ার পরিবারের তরফে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, রিয়ার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে এটি খুন না আত্মহত্যা। মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রসেনজিৎকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে এখনো পর্যন্ত যা তথ্য প্রমাণ উঠে আসছে সেখানে আত্মহত্যা বলেই মনে করছে পুলিশ।
তিন মিস আগে বিয়ে, নববধূর গলায় ফাঁস লাগানো দেহ ঘিরে রহস্য





