৩৬৫দিন। অনন্ত রায়। এসআইআর নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পরিস্কার করে দিয়েছে, ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবুও বিধানসভা ভোটে হারের পরেও রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য এই বিষয়কে ইস্যু করছে মমতা তৃণমূল, সিপিএমসহ বিরোধীরা। সোমবার মুরলিধর সেন লেনের সাংবাদিক বৈঠকে এভাবেই সরব হন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, ৩ জন নির্বাচন কমিশনার একযোগে জানিয়ে দিয়েছেন, ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে এসআইআরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তারপরেও অহেতুক বিরোধীরা বিজেপিকে টার্গেট করছে। পুরসভা ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে একথা ভাসিয়ে দিতে চাইছে রাজ্যের বিরোধী সিপিএম-তৃণমূল। এমনকি ভোটার তালিকায় কেন নাম ওঠেনি তাই নিয়েও বিজেপিকে টেনে আনা হচ্ছে।
দিল্লিতে সোনিয়া গান্ধীর নাম বাদ পড়তেই এস আই আর নিয়ে জলঘোলা-
গত কয়েকদিন ধরে নাগরিকত্ব বিতর্ক তৈরি হয়েছে,এক সংবাদ মাধ্যম কালিমালিপ্ত করতে চাইছে কমিশনকে। ভোটার তালিকা থেকে সনিয়া গান্ধীর নাম বাদ পড়তেই লাল, হলুদ, সবুজ পতাকা নিয়ে জ্ঞানের কুমারের পদত্যাগ দাবি করে বিরোধীরা মাঠে নেমে পড়েছে। বিজেপির কথায় ইচ্ছামতো কমিশন বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করছে। সেই অভিযোগ খন্ডন করার পাশাপাশি কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য বিরোধীদেরই একহাত নেন বিজেপি মুখপাত্র ও বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমার মনে হয়, যখন নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই বিষয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা একত্রিতভাবে, ভুল বোঝাবুঝির কোনোও জায়গা নেই। বিজেপি বিরোধী শিবির ইন্ডিয়া জোটকে কটাক্ষ করে সজলের তোপ, আসলে বিরোধীরা রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য এটিকে ইস্যু করতে চাইছে। সিপিএম-তৃণমূলের কাছাকাছি আসা ও এম এ বেবি-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা বিনিময়ের প্রসঙ্গে দুই দলকে নিশানা করেন তিনি। শ্রীরামপুরের সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে হঠিয়ে দিল্লি দখলের ডাক দেন। সেই প্রসঙ্গে সজলের কটাক্ষ, মমতার দিল্লি দখল স্বপ্নই থেকে যাবে। পাশাপাশি বিজেপির মুখপাত্র ও বিধায়ক সজল ঘোষ কংগ্রেসকেও একই বন্ধনীতে রেখে প্রশ্ন তোলেন, যদি ভোট চুরির কথা ধরা হয়, তাহলে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর কথা সবার আগে বলতে হবে। সেই সময় কোন পদ্ধতিতে ভোট হয়েছিল? সেই কংগ্রেসীরা এখন আরশোলা, টিকটিকির সঙ্গে জোট বাঁধছে। ১৯৯০ সালে যে কংগ্রেস, সিপিএমের জন্য ভোটে লড়তে পারেনি, সেই কংগ্রেস এখন সিপিএমের হাত ধরতে দ্বিধা করছে না। পুরসভা ভোটের আগে সজল ঘোষের মতোই মীনাদেবী পুরোহিত, বিজয় ওঝার মত কাউন্সিলাররাও দলীয় দফতরের সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন।
পুজোর পর থেকে রাজ্য বিজেপির প্রতি জেলায় জনসংযোগ অভিযান





