৩৬৫ দিন। হাসপাতাল থেকে বাড়িতে খবর গেল ‘ ছেলে হয়েছে’ তার কয়েক মিনিটের মধ্যে বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ। গ্রেফতার করে পুলিশের গাড়িতে তোলা হল সদ্য বাবা’কে। পুলিশের দাবি, ধৃত ব্যক্তি নাবালিকাকে বিয়ে করেছিলেন। যে মহিলা সন্তান প্রসব করেন তিনি এখনো নাবালিকা বয়স ১৭ বছর। তাই আইনত তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পকসো ধারায় মামলা হবে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদায়। পুলিশ সূত্রে খবর, বাগদা গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল এক অন্তঃসত্ত্বাকে।
তিনি একটি সন্তান প্রসব করেছেন। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, মায়ের বয়স মাত্র ১৭ বছর। খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে পৌঁছোয় তাদের একটি দল। গ্রেফতার করা হয় সদ্য মা হওয়া নাবালিকার স্বামীকে। ধৃত ব্যক্তির নাম সুভান দাস। পুলিশ বলছে, শুধু সুভান নয় ওই বিয়ে যে পুরোহিত দিয়েছিলেন তাকেও ধরা হবে। ওই বিয়ে বেআইনি তাই যারা তাতে যোগ দিয়েছেন বা নানাভাবে সাহায্য করেছেন প্রত্যেকেই বেআইনি কাজ করেছেন। তাই আইনত প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কি ভাবে গোটা বিষয়টি পুলিশ অবধি গেল? বাগদা হাসপাতাল সূত্রে জানা যাচ্ছে, তারাই প্রসূতি যখন ভর্তি হন তখন তাকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় তার বয়স সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। তাতে দেখা যায় ওই প্রসূতি নাবালিকা তার বয়স ১৭ বছর। এরপরেই বিষয়টি পুলিশে জানানো হয়। যদিও প্রসূতির সন্তান প্রসবের আগে পর্যন্ত পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। সন্তান প্রসবের পর মা ও শিশু সুস্থ আছে জানার পরেই তার বাড়ি পৌঁছে নাবালিকা বিয়ে ও সন্তান প্রসবের দায়ে সুভানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গোটা ঘটনায় হতবাক সুভানের পরিবার বলছে পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ছিল সুভান। ও যদি জেলে থাকে তাহলে এই সদ্যোজাতের দায়িত্ব কে নেবে? সরকারি হাসপাতালে সন্তান প্রসব করলে অর্থ সাহায্য সহ আরো যে সব সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায় সে সব ওই নাবালিকা প্রসূতি পাবে কি না তাও স্পষ্ট করে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়নি।
হাসপাতাল থেকে বাড়িতে খবর গেল ‘ছেলে হয়েছে’ তার কয়েক মিনিটের মধ্যে বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ!





