৩৬৫ দিন।নিউমার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক।মঙ্গলবারই কুষ্টিয়ার বাসিন্দা ব্যাঙ্গালোর থেকে চিকিৎসা করিয়ে ফেরেন কলকাতায়।কিন্তু রাতের মধ্যেই সব শেষ।একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু।মৃতদের মধ্যে একজন ঢাকার বাসিন্দা তিনিও কয়েকদিন ধরেই এই হোটেলে ছিলেন।আগুনের ধোয়ায় মৃত্যু হয় তাঁদের।তবে এই ঘটনায় পাশাপাশি, এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।সকালে খবর পেয়েই ঘটনা স্থলে পৌঁছন বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মহম্মদ খালেদ।এছাড়ও বাংলাদেশের তরফে একটি ইমারজেন্সি নম্বরও চালু করা হয়েছে।ঘটনার খবর মিলতেই সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা। উপ-হাইকমিশন থেকে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘হোটেল শিখা ইন’-এ আজ ভোরে এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, উপ-হাইকমিশনের আধিকারিকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ও হাসপাতালে পৌঁছে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা এবং আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করতে তৎপর হন। স্থানীয় পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে মোট ৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক। এদের ৪ জন কুষ্টিয়ার বাসিন্দা ও একই পরিবারের সদস্য এবং ১ জন ঢাকার আমিনবাজারের বাসিন্দা। একজন ভারতীয় নাগরিকের পরিচয়ও নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি নিহতদের পরিচয় এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে উপ-হাইকমিশন। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসার পর আহত ৬ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার জরুরি হেল্পলাইন সেবাও চালু করেছে।
মির্জা গালিব স্ট্রীটের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ জন বাংলাদেশীর মৃত্যু
- khabar365din
- August 19, 2026
- 2:42 pm
- No Comments





