৩৬৫ দিন। নিজস্ব প্রতিনিধি। অবিরাম বৃষ্টির জেরে কার্যত বানভাসি অবস্থা হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে। বুধবার থেকে অতিবৃষ্টিতে হলদিয়া পুরসভার ২৯টি ওয়ার্ডের পাশাপাশি সুতাহাটা, হলদিয়া ও মহিষাদল ব্লকের একাধিক গ্রাম জলের তলায়। জলে ডুবে রয়েছে একাধিক কারখানা। সোমবার সকালে হলদিয়া ব্লকের গোরানখালি গ্রামে বাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। চাষের জমি, পানের বরজ, রাস্তা ডোবার পাশাপাশি বাড়িতে জল ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা।
হলদিয়া পুরসভার ক্ষুদিরামনগর, নিবেদিতা কলোনি, আজাদহিন্দনগর-সহ হলদিয়া টাউনশিপে একাধিক আবাসনে কোথাও হাঁটুসমান আবার কোথাও কোমরসমান জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। হলদিয়া ব্লকের দেউলপোতা ও দেভোগ, চকদ্বীপা গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। দেউলপোতা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গোরানখালি গ্রামে মাটির বাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত দেওয়াল ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছে শেখ নুরুল ইসলামের (৫২)। আহত হয়েছেন মৃতের স্ত্রী। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় গোরানখালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে।এদিন হলদিয়ার বানভাসি অবস্থা পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্র পাল। মন্ত্রী বলেন, ‘মাটির বাড়িতে আর কেউ দয়া করে থাকবেন না। কেউ মাটির বাড়িতে থাকলে প্রশাসনের আধিকারিকদের অনুরোধ করব দ্রুত তাঁদের ত্রাণকেন্দ্রে নিয়ে আসুন।’ ইতিমধ্যে হলদিয়ার জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরসভার এসেছে এনডিআরএফ এবং এসডিআরফের দু’টি দল। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।





