৩৬৫ দিন। বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে বিশেষ নেবে সংশোধনী বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া হয়েছিল তাতে বাদ পড়ার পরেও পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করে এখনো পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে মাত্র দুই শতাংশ আবেদনকারীর। মোট ৩৮ লক্ষ আবেদনকারীর মধ্যে মাত্র ২% মামলা-নিষ্পত্তির কথা লিখিতভাবে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কংগ্রেস সাংসদ ইশা খান চৌধুরী জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছিলেন বাংলায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে সমস্ত নাগরিকের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল তাদের আবেদনের ভিত্তিতে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার উত্তর এই তথ্য লিখিতভাবে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে 2025 সালের নভেম্বর মাস থেকে বাংলায় ভোটার তালিকায় যে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তাতে ভোট প্রক্রিয়া শুরু হওয়া পর্যন্ত যাদের নাম বাদ পড়েছিল তাদের মধ্যে থেকে নিজেদের বৈধ ভোটার বলে দাবি করে পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন ৩৮ লক্ষ ১০ হাজার ৬২০ জন। এই আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে এখনো পর্যন্ত ৯৭.৩৮ শতাংশ আবেদনের নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়নি। চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে এখনো পর্যন্ত যারা জাতীয় নির্বাচন কমিশন গঠিত ট্রাইব্যুনালে নিজেদের বৈধ ভোটার বলে দাবি করে পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন তাদের মধ্যে থেকে যে ২. ৬২ শতাংশ আবেদনকারীর মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে তাদের মধ্যে মোট ৭৫৪৪৩ জনের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ভোটের রেজাল্ট বেরোনোর পরে। অন্যদিকে নিজেদের বৈধ ভোটার বলে দাবি করে ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার পরেও ভোটার তালিকা থেকে চূড়ান্তভাবে নাম বাদ পড়েছে ৭৩৩৯ জন আবেদনকারীর। অর্থাৎ শতাংশের হিসেবে নিজেদের বৈধ ভোটার বলে দাবি করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার পরে আবেদন করে পুনরায় ভোটার তালিকায় নিজেদের নাম তুলতে পেরেছেন 91.13 শতাংশ বৈধ নাগরিক।
কোন জেলায় কত
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে ভোটার তালিকায় নাম বাদ পড়ার পরে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানিয়েছিলেন ৩৫৮৮৭২ জন। তাদের মধ্যে এখনো পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে 277 জনের আবেদন। কিন্তু কারো নাম অবৈধ বলে গণ্য করেনি কমিশন। আবার দক্ষিণ 24 পরগনা থেকে নাম বাদ পড়ার পরে আবেদন জানিয়েছিলেন ৩ লক্ষ ২১ হাজার ৩৩২ জন। তার মধ্যে থেকে মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে ২০১০৭ জনের। চূড়ান্তভাবে বাদ পড়েছেন মাত্র ২৪ জন। মালদহ থেকে নিজেদের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় তোলার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন 5 লক্ষ ৩১ হাজার ১৪৯ জন। তাদের মধ্যে থেকে মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে ১৪৭১ জনের। তবে কারো নাম অবৈধ বলে গণ্য করেনি কমিশন। মুর্শিদাবাদে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে ট্রাইবুনালে আবেদন জানিয়েছিলেন ৭ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩০৫ জন। ভোটার তালিকায় পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ৪৩৪ জন ও অবৈধ বলে গণ্য হয়েছেন ৫৩ জন।
বাংলার ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটার হিসেবে ৩৮ লক্ষ আবেদনকারীর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২ শতাংশের
- khabar365din
- August 27, 2026
- 5:16 pm
- No Comments





