৩৬৫ দিন। কয়েক দিন আগে আনন্দপুরের বেসরকারি স্কুল হেরিটেজের এক পড়ুয়াকে সাপে কামড়ায় বলে অভিযোগ ওঠে।এবার শহরের অন্যতম নামী বিদ্যালয় ভবানীপুর মিত্র ইনস্টিটিউশনের এক পড়ুয়াকে সাপে কামড়ানোর অভিযোগ কে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। সকাল ৮ টার পর টিফিনের সময় ছাত্র দীপ্ত পালকে সাপটি কামড়ায় বলে অভিযোগ। পা বেয়ে ওপরে উঠে গিয়ে সাপটি কামড়ায় বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে শিশু সেভাবে কোনো জ্বালা যন্ত্র যা বুঝতে পারেনি। এ বিষয়ে মিত্র ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক রাজা দে জানান, আমি যখন স্কুলে ঢুকতে তখন একটি পড়ুয়াকে কিছু কামড়ানোর কথা শুনি। সঙ্গে সঙ্গে বন দফতরের অফিসার ও কর্মীদের জানানো হয়। শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছে এস এস কে এম হাসপাতালে। এখন শিশু টি স্থিতিশীল আছে। ‘
এস এস কে এমে ভর্তি শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, করা হচ্ছে রক্তের নমুনা পরীক্ষা-
এস এস কে এমে র শিশু বিভাগ ভর্তি করা হয়েছে মিত্র ইনস্টিটিউশনের পড়ুয়াকে। দীপ্ত এখন স্থিতিশীল রয়েছে বলে হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে। তাকে চিকিৎসক রা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন ।সূত্রে র খবর, করা হয় রক্তের নমুনা পরীক্ষা। রক্তের নমুনা পরীক্ষা র পর জানা যাবে, সাপটি বিষাক্ত কিনা। তার অপেক্ষায় পরিবারের সদস্যরা এবং মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষকরা।
‘বারবার স্কুল কমপাউন্ডে পড়ুয়াকে সাপের কামড়ে ছড়িয়েছে তীব্র আতঙ্ক’
কয়েক দিন আগে হেরিটেজের এক পড়াকে সাপে র কামড়ের ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ছড়িয়েছে তীব্র আতঙ্ক। কিভাবে স্কুল কমপাউন্ডে সাপের অনুপ্রবেশ ঘটছে তা স্কুল কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত বলে উদ্বিগ্ন অভিভাবক রা মনে করছে। শিক্ষার মন্দিরের স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও নজরদারি বাড়ানো র আর্জি জানিয়েছেন সকলে।
‘সাপের উপদ্রব কেন, অনুসন্ধানে স্কুলে আসে বন দফতরের স্পেশাল টিম ‘ –
মিত্র ইনস্টিটিউশনের মতো লোকালয়ের মধ্যে থাকা নামজাদা বিদ্যালয় চত্বরে কিভাবে সাপ এল তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দীপ্তের পরিবার সহ অভিভাবকদের উদ্বেগ নিরসন করতে ডাকা হয় বন দফতরের কর্মীদের। বন দফতরের স্পেশাল টিম স্কুলের চত্ত্বর ও চারপাশে ঘুরে দেখে।স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছাত্রের বাড়ি টালিগঞ্জে। ক্লাস ওয়ানের পড়ুয়া টিফিনের সময় খেলা করছিল। সেই সময় এই ঘটনা ঘটেছে। অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকতে চায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।
ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনের প্রথম শ্রেণীর পড়ুয়াকে সাপে কামড়ানোর অভিযোগ!
ভর্তি হাসপাতালে
- khabar365din
- August 24, 2026
- 4:49 pm
- No Comments





