ফ্লাইদুবাইয়ের হিরো পাইলট স্মিথকে ফোন মোদির

৩৬৫ দিন। এবার দেশ গর্ব করে বলবে, ভারতীয়রা জীবন নেয় না বরং অন্যের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রাখে – নাকে নল মাথায় ব্যান্ডেজ দূবাইয়ের হাসপাতাল থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানকে নিশ্চিত দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচানো স্মিথ মচ্ছরের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললেন মোদি।‌ প্রধানমন্ত্রীর ফোন পেয়ে আবেগাপ্লুত স্মিথ  যখন বলেন, অনেক কষ্ট সহ্য করেছি স্যার! পাইলট ছুরি দিয়ে পর পর কোপ বসাচ্ছিল। এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে মোদিকে বলতে শোনা যায়, আপনি হিরো। গোটা দেশ বিশ্ব আপনার জন্য গর্বিত। ভারতের এটাই পরিচয়, আমরা জীবন দান করতে জানি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কলে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ঠিক কী ঘটেছিল তা সংক্ষেপে বলতে শোনা যায় স্মিথকে। তাঁর কথায়,“১৭ বছর ধরে বিমান চালাচ্ছি। গত ১১ বছর ধরে ক্যাপ্টেনের ভূমিকা পালন করছি। আমি জানতাম, একটা শেষ চেষ্টা করতে হবে। কোনও রকমে ককপিটের দরজাটা খুলে দিই। ফলে সবাই ভিতরে ঢুকতে পেরেছিলেন।” কত্থপোকথনের এক জায়গায় স্মিথকে বলতে শোনা যায়, ছোট থেকে হনুমান চালিশা পাঠ করে আসছি। জীবনে যখন কোনো সমস্যা‌ হয়েছে হনুমান চালিশা পাঠ করেছি সমাধান হয়ে গিয়েছে। কো পাইলট যখন ছুরি মারছিল তখন জানতাম হনুমান চালিশা পাঠ করলে এই মহাবিপদ-ও কেটে যাবে। তাই হাজার আঘাত সহ্য করেও হনুমান চালিশা পাঠ করে গিয়েছি। জানতাম ফাঁড়া কেটে যাবে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, স্মিথের চিকিৎসা ও তার স্বাস্থ্যের পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে দিল্লি। দুবাইয়ের যে হাসপাতালে স্মিথের চিকিৎসা চলছে সেখানকার চিকিৎসকদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তার নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না‌ হয় তার জন্য সংযুক্ত আমিরশাহী সরকারের সঙ্গেও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছে বলে সূত্রের খবর।

Scroll to Top