৩৬৫ দিন। বাংলায় মৎস্যশিল্পের উন্নতিতে প্রায় ৯ কোটি টাকা দিচ্ছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মৎস্য মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরে আজ রাজ্যের মৎস্যজীবীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত মৎস্যজীবীকে প্রধানমন্ত্রী মৎস্য কিষাণ সমৃদ্ধি সহ-যোজনা-র আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মৎস্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী রাজেশ মাহাতোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়। মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকার উন্নতির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পে রাজ্যের সমস্ত মৎস্যজীবীকে যুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় থাকা মৎস্যজীবী ও মৎস্যচাষীরা ব্যাঙ্ক ঋণ, সরকারি ঋণ, অ্যাকোয়াকালচার বিমা-সহ একাধিক সুবিধা পাবেন। বিশেষ করে ব্যাঙ্ক ঋণের ক্ষেত্রে সহজ সুদে অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। এর জন্য মৎস্যচাষী ও ব্যবসায়ীদের এনএফডিপি-তে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশনের পরই তাঁরা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধার আওতায় আসবেন। প্রসঙ্গত, মৎস্য উৎপাদনকারী রাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অন্যতম। রাজ্যে মাছ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৭ লক্ষ মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ৮ লক্ষ মেট্রিক টন করা হয়েছে। মৎস্যচাষীদের সমবায় ব্যবস্থাকেও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আমার সঙ্গে বৈঠক হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। শপথ গ্রহণের দিন বাংলায় এসে মৎস্যশিল্পের উন্নতিতে পদক্ষেপ করার কথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রের মৎস্য দপ্তরের মন্ত্রী। এদিন তা বাস্তবায়ন হওয়ার পথে আর এক ধাপ এগোল। আমাদের কোস্টাল এলাকাগুলিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নতির বিষয়ে আমরা বৈঠক করেছি। বিজনেস সহ কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ, মৎস্যজীবীদের প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার সঙ্গে যুক্ত করা এবং প্রকল্পের সুবিধার বিষয়ে বিশদে বৈঠক হয়েছে।
বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় ৬ টি অমৃত সরোবরের অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বিনিয়োগের জন্য মুম্বই সফরে মুখ্যমন্ত্রী শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির ছেলে অনন্ত আম্বানির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে গণেশ পূজো উপলক্ষে মুম্বই গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ সোমবার দুপুরেই কলকাতা থেকে মুম্বাই রওনা হন মুখ্যমন্ত্রী। চলতি মাসের শুরুতেই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, গণেশ চতুর্থীর পর তিনি মুম্বই গিয়ে মুকেশ আম্বানি এবং অনন্ত আম্বানির সঙ্গে দেখা করবেন। রিলায়েন্স গোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও বাংলায় বিনিয়োগের আগ্রহের কথা মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন। এর আগে অনন্ত আম্বানির সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের কথাও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, রিলায়েন্স বাংলায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। ডেটা সেন্টার এবং সেমিকন্ডাক্টর হাবের মতো ক্ষেত্র নিয়েও আগ্রহের কথা তিনি জানিয়েছিলেন।
রাজ্যের মৎস্যজীবীদের জন্য কেন্দ্রের বরাদ্দ ৯ কোটি




