আটকে বন্দেভারত
যাত্রী বিক্ষোভে তুলকালাম হুগলির কামারকুণ্ডু স্টেশন

৩৬৫ দিন। বন্দেভারতের জন্য কেন আটকে দেওয়া হবে ট্রেন? যাত্রী বিক্ষোভে তুলকালাম হুগলির কামারকুণ্ডু স্টেশন। পুলিশ, জিআরপি ও আরপিএফের দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলেও এই ঘটনার জেরে পুজোর শুরুতে তালগোল পাকিয়ে যায় হাওড়া – বর্ধমান কর্ড শাখার লোকাল ট্রেন চলাচল।‌ বেশ কিছু দুরপাল্লার ট্রেন-ও দীর্ঘ সময় আটকে থাকে। ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সকালে। কামারকুণ্ডু স্টেশনে ঢোকার মুখে সিগন্যালে আটকে যায় কন্যাকুমারী-কামাক্ষ্যা আপ ডিব্রুগর বিবেক এক্সপ্রেস।
ওই ট্রেনের যাত্রীদের অভিযোগ বেশ‌ খানিকক্ষণ আটকে থাকার পর তারা চালক ও গার্ডের কাছে জানতে চান কেন ট্রেন আটকে? কারণ এমনিতেই এই ট্রেনটি ১৬ ঘন্টার বেশী দেরীতে চলছিল।‌ চালক গার্ড জানান বন্দেভারত এক্সপ্রেস পাস করবে তাই বিবেক এক্সপ্রেস সিগন্যাল পাচ্ছে না। এতেই ক্ষেপে যান যাত্রীরা। লাইনে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। অবরোধ শুরু হয়। বিক্ষোভে আটকে পড়ে হাওড়া-গয়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। খবর পেয়ে পুলিশ জিআরপি আরপিএফ ঘটনাস্থলে এলে আগুনে ঘি পড়ে। তাদের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায় যাত্রীদের একাংশকে। তাদের অভিযোগ, এমনিতেই ট্রেন অস্বাভাবিক লেট। তার ওপর প্রায় প্রত্যেক স্টেশনে ট্রেন দাঁড় করিয়ে একের পর এক লোকাল ট্রেন মেল এক্সপ্রেস পাস করানো হচ্ছে। তাদের প্রশ্ন, ট্রেন যখন এতো দেরীতে চলছে তখন কেন তাদের ট্রেনকে আগে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না! যদিও রেল সূত্রে বলা‌ হচ্ছে, হাওড়া-বর্ধমান কর্ড এমনিতেই ব্যস্ত রুট। অন্য ডিভিশনের লেট ট্রেনকে এখানে জায়গা করে দেওয়া মুশকিল ফলে মেক আপ করা যায় না। মোদ্দা কথা লেট ট্রেন আরো লেট হয়। কোনো লেট ট্রেনকে জায়গা দিতে অন টাইম ট্রেনকে লেট করানো যায় না। যাত্রীরা অবশ্য এত কিছু বুঝতে রাজি নন। তারা বলছেন কেন ট্রেন ১৪-১৫ ঘন্টা লেটে চলবে!

Scroll to Top