মাদুরাইয়ের স্ট্রিট ফুড সেনসেশন: হৃদয় শীতল করা বিখ্যাত পানীয় ‘জিগারঠান্ডা’

৩৬৫ দিন। তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের মীনাক্ষী আম্মান মন্দিরের পাশাপাশি যে নামটি ভোজনরসিকদের মনে আলোড়ন তোলে, তা হলো ‘জিগারঠান্ডা’। দক্ষিণ ভারতের তীব্র গরমে শরীর ও মন জুড়াতে এই ঐতিহ্যবাহী পানীয়ের জুড়ি মেলা ভার। রাস্তার ছোট দোকান থেকে বড় রেস্তোরাঁ— মাদুরাইয়ে সর্বত্রই এর ব্যাপক কদর রয়েছে। মূলত দুটি প্রশ্নের মাধ্যমে এই রাজকীয় পানীয়টিকে চেনা যায়।
এটি আসলে কী?
‘জিগার’ (হৃদয়) ও ‘ঠান্ডা’ (শীতল) শব্দের অর্থানুযায়ী জিগারঠান্ডা অর্থ যা হৃদয়কে ঠান্ডা করে। এটি দুধ, বাদাম পিসিন (আলমন্ড গাম), নান্নারি সিরাপ এবং আইসক্রিম দিয়ে তৈরি একটি সুস্বাদু ঠান্ডা মিষ্টি পানীয়। দেখতে ফালুদার মতো হলেও এর স্বাদ সম্পূর্ণ আলাদা।
কীভাবে তৈরি হয় এই পানীয়?
জিগারঠান্ডা তৈরির প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ। প্রথমে বাদাম পিসিন সারারাত ভিজিয়ে নরম জেলি করা হয় এবং অন্যদিকে দুধ দীর্ঘক্ষণ ধিমে আঁচে জ্বাল দিয়ে ক্যারামেলাইজড চিনির সাহায্যে ঘন ও সুবাসিত করা হয়।
পরিবেশনের সময় কাঁচের গ্লাসে প্রথমে বাদাম পিসিন জেলি, নান্নারি সিরাপ, ঘন দুধ ও ঠান্ডা তরল দুধ মিশিয়ে ওপর এক স্কুপ আইসক্রিম দেওয়া হয়। স্বাদ ও শীতলতার এই মেলবন্ধন মাদুরাইয়ের সংস্কৃতির এক অনন্য প্রতীক।আপনার পরবর্তী গন্তব্য যদি মাদুরাই হয়, তবে এই রাজকীয় পানীয়ের স্বাদ নিতে একেবারেই ভুলবেন না!

Scroll to Top