বেহাল রাস্তা দিয়েই অ্যাম্বুলেন্স-র ঝুঁকির যাতায়াত

৩৬৫ দিন।সারাদিনে রোগিদের নিয়ে হাসপাতালের পথে যেতে হয় অ্যাম্বুলেন্স কিংবা রোগী বা প্রসূতি বহনকারী টোটো এবং মারুতি চালকদের। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যাওয়ার মেচোগ্রামের একমাত্র রাস্তা এই একটাই ।এই রাস্তা দিয়েই অসুস্থ রোগীদের নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ছুটছে এমনকি প্রসূতি মায়েদের নিয়ে টোটো কিংবা মারুতি হাসপাতালের উদ্দ্যেশ্যে যায় ।একাধিকবার দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েও জীবন হাতে নিয়ে প্রসূতিদের হাসপাতালে পৌঁছয় টোটো চালকরা ।পাশাপাশি স্কুল ছাত্রছাত্রী তো আছেই, সাধারণ মানুষ সহ চিকিৎসকরা গাড়ি করেই যাতায়াত করে ,কারন হাসপাতালে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ  এই রাস্তা ।কিন্তু হাসপাতাল থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রাস্তায় তৈরি হয়েছে পুকুর সমান জমা জল রয়েছে বিশাল গর্ত ।আর তাঁর ওপর দিয়েই হেলেদুলে রোগীকে নিয়ে পারাপার হয় টোটো কিংবা অ্যাম্বুলেন্স ।বাইক আরোহীদেরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয় ।তৎকালীন সরকারের আমলে একাধিকবার সম্প্রসারনের দাবি করা হলেও গুরুত্ব দেয়নি কেউ । নামমাত্র পরিদর্শন হয়েছিল ।কোথাও কাজ হয়নি ,দিয়েছিল শুধু স্বান্তনা তারপর সেই একই চিত্র ।রাজ্যে পালাবদল হয়েছে নতুন সরকার‌ যদিও সদ্য চার মাস বলা যায় ।স্থানীয় বাসিন্দা থেকে টোটো চালক সকলের ভরসা রয়েছে নতুন সরকারের ওপর ।যেকারনে নতুন সরকারের কাছে আবেদন হাসপাতাল যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দ্রুত সম্প্রসারণ করলে পথচলতি মানুষ সহ হাসপাতালের উদ্দ্যেশ্যে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স সহ রোগী বহনকারী টোটো চালকদের সুবিধা হয় ।

Scroll to Top