‘শিক্ষার্থীদের কাছে এই ধ্বংসাত্মক এজেন্ডার কোন স্থান নেই’ মুখ্যমন্ত্রী

৩৬৫ দিন। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, রাস্তায় অশান্তি ছড়াতে চায় এবং ভারতের শাসনব্যবস্থাকে বাংলাদেশের ধাঁচে বদলে ফেলার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে, শিক্ষার্থীদের কাছে এই ধ্বংসাত্মক এজেন্ডার কোনো স্থান নেই। এর পরিবর্তে আমাদের যুবসমাজ স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও জাতীয় গর্বকে বেছে নিয়েছে। ওড়িশার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের বিপুল সাফল্যের পর এভাবেই ককরোচ জনতা পার্টির নাম না করে ভারতে যুব সমাজের আন্দোলনকে তীব্র আক্রমণ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দীর্ঘ আট বছর পর ওড়িশায় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল তুঙ্গে। ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আরএসএস-ঘনিষ্ঠ ছাত্র সংগঠনটি ১৩টির মধ্যে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। এই সাফল্যের পরেই দেশের ছাত্র যুব সমাজের নামে ককরোচ জনতা পার্টি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনে নেমেছে তার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, পাঞ্জাব, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল জয়ের পর, ওড়িশাজুড়ে এই অভূতপূর্ব রায় আমাদের দেশের যুবশক্তির অটল মানসিকতার আরও এক প্রমাণ। ভারতের যুবশক্তি দৃঢ়ভাবে ‘দেশ প্রথম’ আদর্শের পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে।
নন্দীগ্রামকে শহরের আদলে গড়ে তুলবো
আসুন আমরা নন্দীগ্রামের উন্নয়ন করি। নন্দীগ্রাম আর গ্রাম হিসেবে পড়ে থাকবে না। একে শহরের আদলে গড়ে তুলতে হবে। এভাবেই পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে দূর্গা পূজা উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে আগামী দিনে নন্দীগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন করে পুর এলাকায় রূপান্তরিত করার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের সামগ্রিক পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার মানুষের জীবনযাত্রাকে উন্নত করার জন্য ইতিমধ্যেই তার সরকার বেশ কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করেছে বলেও জানান নন্দীগ্রাম বিধানসভা থেকে পর পর তিনবার জিতে বিধায়ক হওয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, হলদিয়া-নন্দীগ্রাম সেতুর বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট ডিপিআর তৈরি হয়ে গিয়েছে এবং মাটি পরীক্ষার কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলে, আমি নন্দীগ্রামকে ‌শহরে রূপান্তরের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করব। এখানে একটি রেললাইনও থাকবে। আমি পুরো এলাকাটিকে বদলে দেব এবং সামগ্রিকভাবে এর উন্নয়ন ঘটাব। নন্দীগ্রামের প্রতিটি পরিবারে সুখ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের মনে কোনওভাবেই অহংকার আসতে দেওয়া চলবে না। প্রসঙ্গত, হুগলি নদীর দুই তীরে অবস্থিত হলদিয়া ও নন্দীগ্রাম। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর, শুভেন্দু এই দুই প্রান্তকে যুক্তকারী সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাংলার অন্যতম প্রধান শিল্পশহর হলদিয়া। সেতু নির্মাণের মাধ্যমে হলদিয়া ও নন্দীগ্রাম যুক্ত হলে, তা নন্দীগ্রামের উন্নয়নে বড় গতি জোগাতে পারে।

Scroll to Top