৩৬৫ দিন। পুজোর শুরুতেই মেলানিস্টিক ব্ল্যাক বার্কিং ডিয়ার ঘিরে খুশীর আবহ বনদপ্তরে। দার্জিলিং ও কার্শিয়াং পাহাড়ি বনাঞ্চলে প্রায়শই দেখা মেলে মেলানিস্টিক চিতা- হরিণ- শেয়ালের। পাহাড়ি এলাকায় মেলানিস্টিক বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাসও রয়েছে বন বিভাগে!মাঝে মাঝে সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এমন ছবি! একই ছবির পুনরাবৃত্তিও ঘটে অহরহ। তবে এবারে দার্জিলিঙ কার্শিয়াং বনাঞ্চলে বিপন্ন প্রজাতির কালো মেলানিস্টিক চিতার সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি শেয়াল দর্শনের ছবি ভাইরাল। আর এবারে ফের কালো মেলানিস্টিক হরিণের সন্ধান মিলেছে। জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বর নাগাদ ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে কুঁচকুচে কালো শেয়ালে ছবি। গুগল সার্চে ভুতুড়ে ডাওহিলের বনাঞ্চলে বিরল কালো হরিণ দর্শনের পর এবারে ফের কার্শিয়াঙ ডিভিশনের বনাঞ্চলে নজরে এসেছে। দার্জিলিঙ নেওড়াভ্যালি অভয়ারণ্যে রিচমন্ড হাইক এলাকায় মেলানিস্টিক শেয়ালের দর্শন মিলেছে। ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সে ছবি।
কার্শিয়াং ডিভিশনে বিপন্ন পৃথিবীর মধ্যে বিরলতম কালো মেলানিস্টিক লেপার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে উঠছে। ট্র্যাপ ক্যামেরার বন্দি মেলানিস্টিক চিতার ছবি দেশের বনবিভাগের উপর মহলে পাঠানো হয়েছে বলেও জানায় বনদপ্তর। বেশ কিছুদিন আগেও বিরল কালো হরিণের দর্শন মেলে। যা বন্যপ্রাণ মানচিত্রে বিপন্ন ও বিরল শ্রেণী ভুক্ত।অন্যদিকে পূর্বে ব্ল্যাক বিয়ার দেখা যায় কার্শিয়াঙ বনাঞ্চলে।কার্শিয়াং পাহাড়ি বনাঞ্চলে বিভিন্ন বিরল বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে তার প্রমাণ মিলেছে বহুবার। সে কারণে রাজ্য বনদপ্তরের তরফে বিরল বিপন্ন বন্যপ্রাণীর খোঁজে বিস্তৃত বনাঞ্চলে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি ৩০টিরও বেশি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়। গোটা ডিভিশনে ১০০টির কাছাকাছি ক্যামেরা রয়েছে। দার্জিলিং ওয়াইলড লাইফ ডিভিশনের অধীনে রিচমন্ড হিলের গহীন অরণ্যে ট্রাপ ক্যামেরায় ২ মেলানিস্টিক শেয়ালের দর্শন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। এর কয়েকদিনের মধ্যেই ধরা পড়েছে কালো হরিণের ছবি। কার্শিয়াং বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে-কয়েক বছর আগে থেকেই রাজ্য বনদপ্তরের নির্দেশ মতো পাহাড়ি বনাঞ্চলে বহিরাগত যাতায়াত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।দুষ্কৃতি।






