দিল্লি পুলিশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের আটক করায় ক্ষিপ্ত বার কাউন্সিল

৩৬৫ দিন। ভোটার তালিকা সংশোধন বা এস আই আরের নামে ১৩  কোটি সাধারণ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার পিছনে হাত রয়েছে জ্ঞানেশ কুমারের। বৃহত্তর স্বার্থে আঘাত লাগায় গর্জে উঠেছে ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা। এই নাগরিক আন্দোলনের পাশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতোই অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। দিল্লির রাজপথে সেই ১০০ জন আইনজীবীকে আটক করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বার কাউন্সিলের সদস্যরা। বার কাউন্সিলের সদস্যরা এবিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করে। যেভাবে মহেন্দ্র পার্ক এলাকায় বেআইনি আটক নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডিসিপি র সঙ্গে আইনজীবীরা এগিয়ে গেলে তখন পুলিশ মেজাজ হারায় বলে অভিযোগ। এমনকি দিল্লি পুলিশ আগ্রাসী হয়ে উঠলে তাতে বাধা দেন আইনজীবীরা। সেই সময় ধ্বস্তাধ্বস্তি, বেঁধে যায়।গাজোয়ারি আটক মানবধিকার লঙ্ঘন ও সংবিধান বিরোধী বলে সোচ্চার হন অনেক আইনজীবী।মহিলা আইনজীবীদের আটক করা হয়, এমনকি ব্যাপক মারধর সহ বাড়াবাড়ির গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়।বার কাউন্সিলের সদস্যরা মনে করেন যেভাবে আইনজীবীদের প্রাপ্য মর্যাদা না দিয়ে এই ধরনের কাজ করা হয়েছে, তা সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে,এই ধরণের কার্যকলাপ আসলে দিল্লি পুলিশের গুন্ডা গিরি । স্বাধীনতার পর এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়নি।
সংবিধান, আইনের শাসনকে মান্যতা না দিয়ে যেভাবে দিল্লি পুলিশ,আন্দোলনকারীদের মতোই আইনজীবীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে তা ধিক্কার জানিয়েছেন বার কাউন্সিলের  সদস্যরা।কেন দিল্লি পুলিশ, চরম দমনপীড়নের পথে গিয়ে আইনজীবীদের সম্মান না দিয়ে ,এই সীমা ছাড়াল তার নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে।দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে দিল্লির মতোই দেশজুড়ে আইনজীবীমহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এই ঘটনায় যদিও সমালোচনার মুখে
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পরে সমস্ত আইনজীবীদের দিল্লি পুলিশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। যেভাবে আইনজীবীদের দিল্লি পুলিশ আটক করে তা পুরোপুরি আইন ও সাংবিধানিক রীতি বিরুদ্ধ বলে মনে করছেন বার কাউন্সিলের সদস্যরা।কখনই কোনো আইনজীবীকে এভাবে আটক করা যায় না।আগামীদিনে এই ধরনের ঘটনা রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ ব্যক্ত করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা।

Scroll to Top