৩৬৫ দিন। ‘জেন নেক্সট মুম্বাই’ – জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে পূর্ব ঘোষণা মত ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধির জন্মদিনে পথে নামল ককরোচ জনতা পার্টি। মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে ককরোচ সমর্থকরা শুক্রবার সকাল থেকে জমায়েত করতে শুরু করেন। তারা নিজেদের পরিচয় দেন ‘জেন নেক্সট মুম্বাই’ বলে। দুপুরের মধ্যে শিবাজি পার্কে কার্যত তিল ধারণের জায়গা ছিল না। ককরোচদের কর্মসূচিতে যোগ দেন অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা সস সিজেপি-র প্রায় সব প্রথম সারির নেতা। সমাবেশ থেকে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ বলেন, মুম্বাই থেকে তাদের ‘জেল ভরো’ কর্মসূচি শুরু হল। যতক্ষণ না জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে তিনি ইস্তফা না দিচ্ছেন ততক্ষণ ককরোচদের আন্দোলন চলবে। দীপকে বলেন, এস আই আরের নাম করে জ্ঞানেশ কুমার কোটি কোটি ভোটারের নাম বাদ দিয়েছেন। এমনকি দুই নির্বাচন কমিশনার আপত্তি জানালেও তিনি তা শোনেননি। এখানেই তো প্রশ্ন, কী এমন ঘটনা ঘটলো যে জ্ঞানেশ কুমার এতো মরিয়া হয়ে উঠলেন এস আই আর করার জন্য? কার নির্দেশে তিনি এস আই আর করে কোটি কোটি ভোটারের নাম বাদ দিলেন সেই সত্য তো সামনে আনতে হবে। দীপকের দাবি, শুধু জ্ঞানেশের পদত্যাগ নয় তাকে তদন্তের আওতায় আনতে হবে। তিনি এস আই আর করে যে ভ্রান্তিপূর্ণ ভোটার তালিকা তৈরী করেছেন তা বাদ দিতে হবে। এস আই আর পরবর্তী ভোটার তালিকায় যেখানে যেখানে ভোট হয়েছে সেই সব নির্বাচন বাতিল করতে হবে।
ককরোচদের মঞ্চে নাসিরুদ্দিন, শাবানা, বিশাল
ককরোচদের শিবাজি পার্কের কর্মসূচিতে বলিউড তারকাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। শুক্রবার দুপুরে সিজেপির সভা মঞ্চে যোগ দেন অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। পরবর্তীতে কর্মসূচিতে যোগ দেন অভিনেত্রী শাবানা আজমি, সঙ্গীত পরিচালক বিশাল দাদলানি। ছোট পর্দার বেশ কিছু পরিচিত অভিনেতা অভিনেত্রীদের-ও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। নাসিরুদ্দিন শাবানারা জানান, ককরোচ জনতা পার্টি তো কোনো রাজনীতি করছে না তারা এস আই আরের নাম করে অন্যায় ভাবে যে কোটি কোটি ভোটারের নাম কেটে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে তার প্রতিবাদে আন্দোলন করছে। ওরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচন কমিশনারকে এই কেলেঙ্কারির দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে হবে। এই দাবির সঙ্গে সহমত তাই তারা আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন।
নেক্সট ডেস্টিনেশন দিল্লি, কলকাতা, গোয়া
শিবাজী পার্কের সভা থেকে ককরোচ নেতা দীপকে বলেন, মুম্বাইয়ে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সরকারের পুলিশ বহু চেষ্টা করেছিল কর্মসূচি ভেস্তে দিতে। হাজার হাজার পুলিশ নামিয়ে ভয় দেখনো হয়েছিল। বলা হয়েছিল শিবাজি পার্কে সভা করা যাবে না। অনুমতি চাইলেও দেওয়া হয়নি। ককরোচরা তাতে ভয় পায়নি। হাজার হাজার মানূষ জমায়েত করেছেন। এরপরেই দীপকে ঘোষণা করেন, চলতি মাসের শেষে দিল্লির যন্তরমন্তরে জেল ভরো কর্মসূচি হবে। তারপর কলকাতা ও গোয়াতেও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচি হবে। দীপকের চ্যালেঞ্জ, দেখি কোন সরকারের কত দম আছে!
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে মুম্বাই থেকে জেল ভরো কর্মসূচি শুরু করল ককরোচরা
- khabar365din
- October 3, 2026
- 2:50 pm
- No Comments





