৩৬৫ দিন। পূষন গুপ্ত। Power Corrupts, Absolute Power Corrupts Absolutely এই কোটেশনটি ছবির প্রথমে দেখানো হয়েছিল। মাননীয় পরিচালক, নাট্যকার এবং আমি জানি এটি একটি লম্বা বাক্যের অংশ বিশেষ। ১৮৮৭ সালে ব্রিটিশ ঐতিহাসিক তথা সমাজতত্ত্ব লর্ড অ্যাকটন তাঁর বন্ধু কেমব্রিজের অধ্যাপক ও ঐতিহাসিক বিশপ ম্যান্ডেল ক্রিকটোন এক ব্যক্তিগত চিঠিতে এই কথা কটি লিখেছিলেন। ক্ষমতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার তথা দুর্নীতি নিয়ে বহু মনীষী বহু কথা বলেছেন। কিন্তু এটিই সবচেয়ে লাগসই বলে থেকে গিয়েছে। প্রসঙ্গত ২০২১ সালে লেখা আমার ‘বামরাম’ গ্রন্থের শুরুতেও কোটেশনটি আছে।
কথা হল কার ক্ষমতা? কী ধরনের অপব্যবহার? নীতি ও দুর্নীতির সংজ্ঞার পরিধি কতটা ইত্যাদি। মনে রাখতে হবে নাট্যকার ব্রাত্য বসু উইঙ্কেল টুইঙ্কেল নাটকটি যখন লেখেন তখন এক ক্রান্তিকাল চলছে। ৩০/৩৫ বছরের তথাকথিত কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, অভ্যেসবশত প্রগতিশীলতার কুম্ভীপাকে গণনাট্যের গান শোনা বাঙালির যখন নাভিশ্বাস উঠেছে, ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা ঠিক তখন ব্রাত্যর ওই থিয়েটার বাঙালি সমাজকে যাকে বলে আন্দোলিত করেছে। শিল্পীদের রাস্তায় নেমে সংগঠন করতে হয় না, যে শিল্পীরা বেশি রাস্তায় নামে সম্ভবত তাঁদের শিল্পকর্মে তেমন আস্থা নেই, শিল্পকর্মই শিল্পীর কাস্তে-হাতুড়ি, জোড়াফুল বা পদ্ম অথবা যেভাবেই দেখুন। সহজ কথায় বলা ভালো,ব্রাত্যর উইঙ্কেল টুইঙ্কেল বামপন্থীদের (সরাসরি সিপিএম বলাটাই বিধেয়) দুই সময়ের কাহিনি। একটি শাসন ক্ষমতা পাওয়ার আগে অন্যটি শাসন ক্ষমতা পাওয়ার পরে। অর্থাৎ কমরেড কাকাবাবু, বি টি রণদিভে, প্রমোদ দাশগুপ্ত, জ্যোতি বসুদের ৬০ এর দশক থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত একটি পর্ব এবং অন্যটি ১৯৭৭-২০১১ পর্যন্ত। ব্রাত্যর থিয়েটারের রূপকথার সেই নায়ক রিপ ভ্যান উইঙ্কেলের দীর্ঘ ঘুমের পর এই দুই পর্ব তথা চরিত্রই গোলক ধাঁধায় ঢুকে চরম বিভ্রান্তির কাহিনি। বলব, বিভ্রান্তিটা সুপারফিশিয়াল অর্থাৎ,বাইরের চকোলেট, ভেতরের কটূ অংশটায় তীব্র কশাঘাত,ব্যঙ্গ, আক্রমণ, ক্ষমতা তার অপব্যবহার, সেখান থেকে উঠে আসা দুর্নীতির উৎস ইত্যাদির ব্রহ্মদর্শন। আমাদের মতো ছটফট করা বাঙালি দর্শকের কাছে একটু মুক্তির স্বাদ, একটা বড় জানালা খুলে যাওয়া ইত্যাদি। এর মধ্যে দুটি বিষয় আমি লক্ষ্য করাতে চাই-
প্রথমত, ওই থিয়েটারে বাংলার বামপন্থীদের দুটি চরিত্রের সংঘাত রাখা হয়েছিল সরাসরি। অর্থাৎ সিপিআই এম এল তথা লিন পিয়াওপন্থী নকশালদের চারু মজুমদার লাইনে কিছু জোতদার ,কিছু ßুñলের শিক্ষক, হেডমাস্টার মশাই, ট্রাফিক পুলিশের মুন্ডু কেটে কিছু লাইব্রেরী, ল্যাবরেটরি পুড়িয়ে, জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের পথে এগোনোর স্বপ্ন তথা পাড়ার দেওয়ালে লেখা মাও জে দং এর ছবি আঁকা চিনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারম্যান অথবা বন্দুকের নলই শক্তির উৎস বনাম পাকা মাথার সিপিএম নেতাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের পথ বেছে নেওয়ার এই তাত্ত্বিক বিরোধটা মূল কাহিনিতে ছিলো। দ্বিতীয় কথা হল, পুঁজি সম্পর্কে মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির পাল্টে যাওয়া মত ওই নাটকে এসেছে খুব নাটকীয়ভাবে। পুঁজির বিরুদ্ধে যুব ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতি ৭০ দশকের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য যা বলেছিলেন এবং ২০০০ সালে এসে টাটাকে সাদরে বরণ অর্থাৎ এই কন্ট্রাডিকশন (ভালো না খারাপ এসব প্রসঙ্গে যাচ্ছি না) থিয়েটার হলে বসে থাকা বাঙালি দর্শকদের ভিত নড়িয়ে দিয়েছিল।
২.
থিয়েটারে রাজনীতিতে কোনও গোলমাল ছিল না। সৃজিতের সিনেমার রাজনীতিতে কিন্তু ব্যাপক গোলমাল। কেন তা ব্যাখ্যা করছি। বিশ্বের ইতিহাসে রাজনৈতিক ছবির নির্মাতারা শতকরা ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে জড়িয়েছিলেন। আমি দুদুভাতু তথ্যচিত্রের কথা বলছি না। নিদেনপক্ষে ‘ব্যাটেল অফ আলজিয়ার্স’ হতে হবে। বাংলায় রাজনৈতিক ছবির ইতিহাস খুবই করুণ, যেটুকু করেছেন তা মৃণাল সেন, গৌতম ঘোষ এবং কিছু চেষ্টা নকশালপন্থী রাজনৈতিক কর্মী উৎপলেন্দুর। সত্যজিৎ, ঋত্বিকের নাম এই তালিকায় ঢোকে না। তাঁরা যা করেছেন,তা গ্রেট মানবিক ছবি,রাজনীতির অনেক উর্ধ্বের ব্যাপার। মৃণাল সেনের সব থেকে সফল অবশ্যই ‘ইন্টারভিউ’। ছবিতে কোনও দলের গল্প ছিল না, কোনও দলের পক্ষ নেওয়া ছিল না। কিন্তু যাবতীয় রাজনৈতিক দলের তথাকথিত তঞ্চকতার মুখোশ খুলে দেওয়া হয়েছিল। আসলে মৃণালবাবুর সমস্যা অন্যত্র। সরাসরি প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে যোগাযোগ না থাকায় রাজনৈতিক বোধ কম এবং বিভ্রান্তি থাকায়, ‘কলকাতা ৭১’ বা ‘কোরাস’ একেবারেই দাঁড়ায়নি। সেই সময়ে নকশালদের প্রতি বাঙালি শিল্পী বুদ্ধিজীবীদের এক ধরনের রোমান্টিক পিঠ চাপড়ানো ছিল, আছে কিছু কিছু
এখনও বোধ হয়। সেই রোমান্টিক পিঠ চাপড়ানো দিয়ে খানিক কবিতা, গপ্পো হয় বটে। সফল ছবি হয় না।’ ‘রানার চলেছে, বুঝি ভোর হয় হয়, আরো জোরে, আরো জোরে হে রানার দুর্বার দুর্জয়’ কিংবা ‘কারার ঐ লৌহ-কপাট,ভেঙে ফেল কর রে লোপাট,’ কেউ ভালো সুরে গাইলে এক ধরনের ইন্টেলেকচুয়াল অর্গাজম হয় বটে তা দিয়ে একটা সফল চিন দেশ তৈরি হয় না। চিন মাও এর পথে বিপ্লব করেছে কিন্তু মাও এর সর্বহারার একনায়কতন্ত্রের অর্থনীতিটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। মুক্ত অর্থনীতির পথে হেঁটে সে আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে চ্যালেঞ্জ করছে। এখানে ক্ষমতা,ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, ক্ষমতায় থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার অথবা ক্ষমতা থাকলেই অবশ্যম্ভাবী দুর্নীতি কোনোটাই খাটে না। চিন এইসব বস্তাপচা অর্থনীতির তত্ত্ব হোয়াং হো নদীতে ভাসিয়ে একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী জাতি হিসেবে গড়ে উঠেছে। রাজনৈতিক ছবি করাটা এলেবেলে সেন্টিমেন্টাল ন্যাকামির ভার্বোস নয়, যে কখনও পুলিশের তাড়া খায়নি, নকশালী হুমকিতে বাড়ি ছাড়া হয়নি, যাদের বাড়ির পাঁচিলে একই সঙ্গে দেশব্রতী আর পেটো পড়েনি, যারা রাজনৈতিক দলের হাতে বেদম মার খায়নি তারা বুঝবে কী করে এর কী জ্বালা।’ কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভূ আশীবিষে দংশেনি যারে (কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার)।
৩.
সৃজিত কেন ২০২৫-২০২৬ সালে ব্রাত্যর নাটকটিকে সিনেমার জন্য ভাবলেন, তা বুঝি এবং বুঝি বলেই বেশ মজা লেগেছে। আগে কিছু তথ্যগত বিচ্যুতির কথা বলি।
(ক)১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা হওয়ার পর যারা গ্রেফতার হয়েছিলেন তারা সকলেই রাজনৈতিকভাবে ডানপন্থী এবং কিছু সাংবাদিক-সম্পাদক, গোটা দেশজুড়ে। জনতা পার্টি সলতে পাকাতে শুরু করেছে তাই ইন্দিরা গান্ধির টার্গেটে মূলত জনসংঘের নেতারা। পুলিশের তাড়া, অত্যাচার এবং গ্রেফতারের তালিকায় ছিলেন, অটল বিহারি বাজপেয়ি, লালকৃষ্ণ আডবানি, বিজয় রাজে সিন্ধিয়া, সতীশ আগরওয়াল, শেখওয়াত প্রমুখ সঙ্ঘ নেতারা। আপনার ছবির হিরো এমার্জেন্সিতে, ™ুলিশের তাড়া খেয়ে প্রথমে পলায়ন এবং পরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। অনুগ্রহ করে বলবেন কি সিপিএমের কোন কোন নেতা ওই সময়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন? কোন কোন নেতা পুলিশের তাড়া খেয়ে ওই সময়ে বাড়ি থেকে পালান? কোন সিপিএম নেতাকে পুলিশ গুলি করে মেরে ফেলে? আমি ৪ জন সিপিএম নেতার নাম জানি, পলিটব্যুরো নেতা অচ্যুতান¨, এ কে গোপালন, নুরুল হুদা এবং বাংলার একজন, সংসদ সদস্য জ্যোতির্ময় বসু, এর বাইরে জ্যোতি বসু, প্রমোদ দাশগুপ্তদের কেশাগ্র স্পর্শ করেনি কেউ। আপনি জানেন বোধহয় জ্যোতিবাবুর সঙ্গে ই¨িরার হৃদ্যতার কথা। সৃজিত, আপনার উইঙ্কেল তো সিপিএম। তাকে কে এবং কেন তাড়া করল? সিপিএম ৭০ দশকে রাষ্ট্রশক্তির হাতে মরেনি, বিশেষ নির্যাতিতও হয়েনি। যারা মারা গেছেন,যারা নির্যাতিত হয়েছেন তারা সবাই নকশালপন্থীদের সঙ্গে বিরোধের ফলে। নকশালপন্থীরা প্রচুর সিপিএমের ছেলেকে খুন করেছে। সিদ্ধার্থশঙ্করের পুলিশ করেনি। সৃজিত আপনার ছবিতে ঐতিহাসিক মিথ্যাচার করা হয়েছে।
(খ) ৭০ দশকের যে কাশীপুর-বরাহনগর গণহত্যা হয়েছে তাতে কারা মারা গিয়েছিল মাননীয় পরিচালক? তথ্য জানতে হলে পাচু রায়ের লেখা ‘বরানগর জেনোসাইড’ গ্রন্থ (৩৬৫ প্রকাশন প্রকাশিত) পড়ে দেখুন। এক রাতে প্রায় কয়েকশো নকশালপন্থী তরুণ। এই জেনোসাইডের নেতৃত্বে ছিল সিদ্ধার্থবাবুর পুলিশ, কংগ্রেসী গুন্ডা, এবং সিপিএম দালালরা।
(গ) বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় এসে বন্দি মুক্তি ঘোষণা করে। অসীম চ্যাটার্জি (কাকা) সহ প্রত্যেকেই মুক্তি পান। পরবর্তীকালে সেকেন্ড সিসি করা সত্ত্বেও আজিজুল হককে ছেড়ে দেওয়া হয়। বামফ্রন্ট সরকারের বদান্যতায় এদের অনেকেই সরকারি ফ্ল্যাট পান। মাননীয় পরিচালক সৃজিত, আপনার ইন্টারঅ্যাকটিভ পুরনো নকশালটি এখনও মফস্বলে নোনা ধরা দেওয়ালের ছাদে বসে আর ভাঙা কাপে চা খায়, কেন? এই আদর্শবাদের ছলনা কেন?
(ঘ) উইঙ্কেল টুইঙ্কেল নাটকের মূল থিম অর্থাৎ তখন সিপিএম আর এখন সিপিএম। সেটি আপনার ছবিতে গেল কোথায়? দেবেশের খারাপ অভিনয় বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে সিপিএম মন্ত্রীর চরিত্রটাকে। অবশ্য দেবেশই বা কী করবে? সুযোগই ছিল না। গোটা ছবিতে সিপিএমের নীতিভ্রষ্টতা কেবল একটি চরিত্রে, ক্লাউন টাইপের বিদঘুটে, ফালতু এমনকি হাস্যকর ভাঁড়ও নয়। প্রিয় সৃজিত, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতি বোঝাতে হলে,আপনাকে মাননীয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, প্রশান্ত শূর, শ্যামল চক্রবর্তী, মানব মুখার্জি, অমিতাভ বসু,অমিতাভ নন্দী, বিদ্যুৎ গাঙ্গুলী, কান্তি গাঙ্গুলী, লক্ষ্মণ শেঠ, সুশান্ত ঘোষ সহ শ’দুয়েকের ধারে কাছে যেতে হয়, চিনতে হয়। আপনি আমার বন্ধু লোক, আপনাকে আক্রমণ করছি না, শুধু বুঝিয়ে বলছি এই পলিটিকাল স্পেস আপনার জন্য নয়। ৪.আসলে আপনি সময়ের সদ্ব্যবহার করে, সিপিএমকে প্যাট্রোনাইজ করে তৃণমূলকে আক্রমণ (ভিলেন) করতে চেয়েছেন। একটু পেরেছেন বইকি। আপনাদের সংগ্রামী সিপিএম কর্মীর স্ত্রী বলছেন তৃণমূল বিজেপিকে এই রাজ্যে এনেছে। এসব ফেসবুকীয় ছেঁদো কথা। তৃণমূল কোন দুঃখে বাংলায় বিজেপিকে আনবে? বিজেপি নিজের যোগ্যতায়, নিজের পলিটিকাল অ্যাজেন্ডায় বাংলায় ৩ থেকে ২০৮-এ পৌঁছেছে। তৃণমূল তাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেনি,গ্রামে গঞ্জে আরএসএস গোপনে সংগঠন বাড়িয়েছে। নাগপুরীয় সংগঠন সম্পর্কে আপনাদের কোনও ধারণাই নেই। আপনার সিপিএম উইঙ্কেল (সব্যসাচী সেন) ফাটা কাপে চা খায়আর রাত বিরেতে নিজের ঘরে হোম থিয়েটারেû স্বপ্ন দেখে। আর তৃণমূল করা তার রাগী পুত্র ইন্দ্র, সে কোনও আদর্শের কথা ভেবে তৃনমূল করেনি, সে তৃণমূল করে, বিজেপিও করতে পারতো? ভালো বারে মদ খায় এবং মাতাল অবস্থায় রিভলবার বের করে বাবা তথা ‘বেকার ফালতু’ লোকটিকে গুলি করে। বাহবা। অ্যাবস্ট্রাক্ট থিয়েটারে যা হতে পারে, ডকুমেন্টেশনের ভঙ্গিতে তোলা একটি রাজনৈতিক ছবি সেটা অ্যালাও করবে কি? যখন রিয়েলিস্টিক ছবি বানাচ্ছেন তখন তথ্যে সঠিক থাকুন। নইলে দর্শকদের ভুল বোঝানো হবে।আপনার ছবিতে কে ক্ষমতার অপব্যবহার করল জানি না কিন্তু সিপিএম একটি মহান দলে পরিণত হল দেখলাম।হতেই পারে, ছবি আপনার। বিশ্বাস আপনার। তবে এটি উইঙ্কেল টুইঙ্কেল নয়। দেখলাম ২০২৬ সালে অগাস্ট-সেপ্টেম্বরে এই ছবি অনেক ভেবেচিন্তে রিলিজ করা হয়েছে।
৫.
সাবাস পরমব্রত(ইন্দ্র), সাবাস ঋত্বিক (সব্যসাচী সেন )। আপনারা বড় অভিনেতা, দাপুটে অভিনয় করেছেন। ™রম তো দিনকে দিন আরও ভালো অভিনয় করছেন। প্রসঙ্গত, ছবির অকারণ গানগুলি পাতে দেওয়া যায় না।




