৩৬৫ দিন।যারা ব্যাট করবে, তারাই যদি আম্পায়ার বেছে নেয়, তাহলে তো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠবেই। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে এমনটাই বললেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। ২০২৩ সালের কেন্দ্রীয় আইন অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে বিশেষ কেন্দ্রীয় কমিটি । সেই আইনকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে পিটিশন। ওই মামলার শুনানিতে দুই বিচারপতির মত আলাদা হওয়াতে এই মামলা পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানো হবে কেন সেই নিয়ে বলতে গিয়েই এই মন্তব্য করেন বিচারপতি দত্ত।
ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা এই নিয়ে রায়দানে একমত না হওয়াতে বুধবার শুনানি হওয়া এই মামলাটিকে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর এজলাসে পাঠালো এই দুই বিচারপতি।এই বেঞ্চ পাঁচ দিন ধরে ওই মামলার শুনানিশেষে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ করেছে করে বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করেছেন দুই বিচারপতি।বিচারপতির পর্যবেক্ষণের কারণ হিসেবে বিচারপতি দত্ত বলেছেন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন হতে হলে নির্বাহী বিভাগের( একজিকিউটিভ ) এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকতে হবে। রায় লিখতে গিয়ে বিচারপতি দত্ত নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্বাহী বিভাগের ( ( একজিকিউটিভ ) প্রভাব প্রসঙ্গে বিচারপতি দত্ত ক্রিকেটের উদাহরণ টানেন। মন্তব্য করেন যে দল ব্যাট করবে, তারাই যদি আম্পায়ার নির্বাচন করে, তবে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। এমনকি আম্পায়ার যদি সঠিক সিদ্ধান্তও নেন, তার পরেও তাঁর নিরপেক্ষতা সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়।




