রঞ্জিতে নেমেই চার উইকেট , দিল্লিকে বোতলবন্দী করে ফের নির্বাচকদের বার্তা ‘বুড়ো’ শামির

৩৬৫ দিন। দলীপ ট্রফির পর রঞ্জিতে প্রথম ম্যাচেই বল হাতে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ শামি। দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ১৭ ওভার ৩ বলে মাত্র ৩০ রান দিয়ে চার উইকেট নিয়ে আবারও নির্বাচকদের বার্তা পাঠালেন ৩৬ বছর বয়সী এই ডান হাতি পেসার। শামির চার ও অফ স্পিনার আমির গনির তিন উইকেটের সুবাদে কল্যাণীতে প্রথম দিন ২৪০ রানেই শেষ হয়ে গেলো দিল্লির প্রথম ইনিংস। তবে দিল্লির ইনিংস ২০০ রানের আগেই শেষ হয়ে যেতে পারতো। হৃত্বিক শকিন এর নেতৃত্বে লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের লড়াইয়ে শেষ চার উইকেটে ১১৪ রান যোগ করলো দিল্লি। শেষ তিন উইকেট ৯২ রান। টসে জিতে বাংলা দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠায়। চার রান করে আকাশ দীপের ভিতরে ঢুকে আসা দুর্দান্ত বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সনত সাঙওয়ান। শামির প্রথম শিকার হন ইয়াশ ধুল । ৯ রান করে বাইরে যাওয়া বলে খোঁচা দিয়ে কট বিহাইন্ড হন। অপর ওপেনার সার্থক রঞ্জনকে ফেরান গনি। ৩৩ রান করে টার্ন হয়ে লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে যাওয়া বলে খোঁচা দিয়ে আউট হন তিনি। অধিনায়ক আয়ুশ বাদোনিকে ফেরান মুকেশ কুমার। ২৩ রান করে মুকেশের অফ স্ট্যাম্পের অনেক বাইরের বল খেলতে গিয়ে আউট হন। উইকেট রক্ষক অনুজ রাওয়াত কোনো রান না করেই আকাশ দীপের বলে লেগ বিফোর হন। এরপরই সেট হয়ে যাওয়া বাঁ হাতি ব্যাটার আয়ুশ দোসেজাকে লেগ বিফোর আউট করেন শামি। রাউন্ড দা উইকেট থেকে বল ভিতরে ঢুকে দোসেজার সামনের পায়ে লাগে। ৯২ বল খেলে ৪৫ রানে ফিরে যান দোসেজা। দেব লাকরা ১৮ রান করে গনির দ্বিতীয় শিকার হন। অষ্টম উইকেটে দিভিজ মেহেরার সঙ্গে ৪০ ও নবম উইকেটে নভদীপ সাইনির সঙ্গে ৪৩ রান যোগ করেন হৃত্বিক। ৯৮ বলে ৫৬ রান করে শামির চতুর্থ ও বাংলার শেষ শিকার হন হৃত্বিক। এর আগে দিভিজকে বোল্ড করেন শামি। দিভিজ ২৪ , নভদীপ ১১ রান করেন। এই ম্যাচে বাংলার হয়ে অভিষেক হচ্ছে ডান হাতি ব্যাটার অঙ্কুর পালের।

Scroll to Top