৩৬৫ দিন। এমন লড়াই সচরাচর দেখা যায় না, লড়াইটা অসম-ও বটে। কোথায় ইলিশ পমফ্রেট পাবদা, মটনের কৌলীন্য আর কোথায় কাঁকড়া! তবে এখন আর কাঁকড়াকে হেলা ফেলা করা যাবে না। অন্তত মধ্যমগ্রামে কালীবাবুর বাজারে তো নয়-ই। এখানে বাজার মাতাচ্ছে কাঁকড়া। হালে পানি পাচ্ছে ইলিশ মটন। দাম চাহিদা-দুইয়েই অনেক এগিয়ে কাঁকড়ারা। এবার ঘটনায় আসা যাক, মানে কেন এই পরিস্থিতি তৈরী হল – বৃহস্পতিবার থেকে মধ্যমগ্রামের এই বাজারে আসছে বিশাল সাইজের সব কাঁকড়া। কোনোটার ওজন ১.৫ কিলো, কোনোটার ২ আবার কোনোটার ২.৫ কিলো। সচরাচর এই বাজারে কাঁকড়া যা আসে তা বড় জোড় ২৫০-৩০০ বা খুব বেশী হলে ৫০০ গ্রামের হয়, সেখানে পুজোর মুখে বিশাল সাইজের কাঁকড়ার আমদানিতে স্বভাবতঃই সোরগোল পড়ে গিয়েছে। কাঁকড়া কিলো প্রতি বিকোচ্ছে ২ হাজার টাকায় সেখানে ইলিশ ১২০০-১৫০০,মটন ১০০০ মানে কাঁকড়ার দাম কিলো প্রতি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বেশী। মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এটা আদতে একটা চমক। আসলে এত বড় মাপের কাঁকড়া তো বাজারে সাধারণত পাওয়া যায় না তাই প্রাথমিক ভাবে একটা আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। লোকে হুজুগে পড়ে কিনেও নিয়ে যাচ্ছে তবে এটা খুব বেশী দিন থাকার কথা নয় তবে পুজোর মরসুম হওয়ায় হতে পারে কাঁকড়া বাজার ধরে নিয়ে মাত করে দিল। তবে হট ফেভারিট মাছ মটনদের কাঁকড়ারা যে একটা চ্যালেঞ্জ ছিঁড়ে দিয়েছে তা বলতেই হবে। মাছব্যবসায়ী দিলীপ ভদ্র যিনি জায়ান্ট কাঁকড়া তুলেছেন তিনিও কিছুটা আশঙ্কায় ভুগছেন। তিনিও বলছেন শুরুটা ভালো হলেও কতোদিন এই বাজার থাকবে তা বলা যাচ্ছে না।





