৩৬৫ দিন। সৌমেন ব্যানার্জি। গৃহবধূর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল দুর্গাপুরে। ঘটনাটি ঘটে জামুড়িয়া থানার কেন্দাফাড়ির অন্তর্গত সোনপুর গ্রামে। নিহত মহিলার নাম পম্পা মন্ডল। বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, পম্পা মন্ডলের স্বামী নরোত্তম মন্ডল ওই অঞ্চলে তৃণমূল নেতা বলে পরিচিত। মঙ্গলবার সকালে তার বাড়ি থেকে কালো ধোঁয়া বেরতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তারা কোনো রকমে ব্যালকনি পর্যন্ত পৌঁছে সেখানকার দরজা খুলতেই দেখেন অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছেন পম্পা। ঘটনার সময় নরোত্তম বাড়ি ছিলেন না। তাকে ফোন করে ডাকা হয়। খবর যায় পুলিশে। পম্পার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করতে থাকেন নরোত্তম-ই তার স্ত্রীকে পুড়িয়ে মেরেছে হত্যার সঙ্গে যোগ রয়েছে তার তাই তাকে গ্রেফতার করতে হবে। পুলিশ প্রথমে নরোত্তমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় তারপর তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় নরোত্তমের বয়ানে অসঙ্গতি ছিল তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাছাড়া প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে পম্পার মৃত্যুর পেছনে চক্রান্ত থাকতে পারে অর্থাৎ আগুন নিজে থেকে না লেগে কেউ লাগিয়ে দিয়ে থাকতে পারে। নরোত্তমকে তাই হেফাজতে নিয়ে জেরা করার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে মনে করছে পুলিশ। স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান , আনুমানিক সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ আমরা নরোত্তম বাবুর বাড়ি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। তারপরই তার বাড়ির সাথে এটাক থাকা একটি সিঁড়িবে আমরা ব্যালকনিতে উঠে সেই দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই দেখি অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নরত্তম বা ওর স্ত্রী পম্পা দেবী। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হতেই পুলিশের খবর পৌঁছায় এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে সূত্র আরো জানা যায়, যখন ঘটনাটি ঘটে সে সময় নরোত্তম বাবু বাড়িতে ছিলেন না। পরে ওনাকে ফোন করে ঘটনাস্থলে ডাকা হয় এবং ঘটনার প্রত্যক্ষ কারণ জানার জন্য ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এমন ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় এখন ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও ঘটনার কারণ প্রসঙ্গে নরোত্তম বাবু কে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন রকম কোন মন্তব্য করতে চাননি।
বাড়ি থেকে উদ্ধার গৃহবধূর আধ পোড়া দেহ, খুন সন্দেহে স্বামীকে ধরল পুলিশ




