হাইলাইট
।।উফ কী গরম
Part-164
।।বিধানসভার উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারী।।উফ কী গরম
Part-163
।।ফ্লাইট থেকে নেমেই আর শুনতে পাচ্ছেন না অলকা ইয়াগনিক,বিরল রোগের শিকার গায়িকা।।মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে মেয়র ও পরিবহণ মন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় কবলে পড়া যাত্রীদের রাত জেগে বাড়ি ফেরাল রাজ্য সরকার।।ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হলং বনবাংলো।।তাপমাত্রা ৫১ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে, হজে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মৃত 500।।জলস্তর বৃদ্ধি তোর্সা নদীতে। এলাকা পরিদর্শনে পৌর প্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। কোচবিহার।।।।উফ কী গরম
Part 162
।।শিয়ালদহগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনা, মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কায় উল্টে গেলে 2 কামরা।।উপনির্বাচনের তিন প্রার্থীকে নিয়ে দলীয় বৈঠক।।অভিষেকের সিম ক্লোন করে ফোন।।ডায়মন্ড হারবারে বিপুল জয়, শুভেচ্ছা বিনিময়ে অভিষেক।।তিন কোটি টাকার বেআইনি সোনা সহ গ্রেফতার দুই।।তৃণমূল শিবিরে লাগাতার যোগদান কাল ঘাম ছোটাচ্ছে বিজেপির
৩৬৫ দিন Exclusive
khabar365din

উফ কী গরম
Part-164

উফ কী গরম ! HOT BIKINI ডেমি রোজ ৩৬৫ দিন। সান্তরিনি আইল্যান্ড তখন আরও ঝকঝকে।ঝলমলে রোদের সঙ্গে দ্বীপ যেনও আরও সাদা হয়েগেছে।এর মাঝেই পিঙ্ক বিকিনি

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

বিধানসভার উপনির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারী

খবর ৩৬৫ নদিয়া:রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা উপ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার রানাঘাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন তৃণমূল প্রার্থী ডাঃ মুকুটমনি অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে রানাঘাট

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

উফ কী গরম
Part-163

উফ কী গরম HOT BIKINI ইরিনা আলেখিনা   ৩৬৫ দিন। কম বয়সেই উচ্চতার শিখরে।এক একটা সিঁড়ি পার করে এখন তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ।তিনি ইরিনা আলেখিনা।রাশিয়ার

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

ফ্লাইট থেকে নেমেই আর শুনতে পাচ্ছেন না অলকা ইয়াগনিক,বিরল রোগের শিকার গায়িকা

ক্রমশ শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন গায়িকা ৩৬৫ দিন।৯০ দশকে হার্টথ্রব অলকা ইয়াগনিক বিরল রোগের শিকার।বড় ঘটনা ঘটেছে তাঁর জীবনে।শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন এই গায়িকা।বিরল স্নায়ুরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।নিজেই ইনস্টাগ্রামে

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে মেয়র ও পরিবহণ মন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে, কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় কবলে পড়া যাত্রীদের রাত জেগে বাড়ি ফেরাল রাজ্য সরকার

৩৬৫ দিন। রেল কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত গাফিলতির জেরে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। নিজেদের ওপর থেকে দোষ ঝেড়ে ফেলতে, তড়িঘড়ি মৃত চালকের ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছে রেল

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হলং বনবাংলো

৩৬৫ দিন। বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল জলদাপাড়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি বনবাংলো হলং। রাত ৯টা নাগাদ হলং বাংলোতে কর্মীরা আগুন দেখতে পান। বর্ষায় জঙ্গল পর্যটকদের

Read More »
Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print

বামের ভোট রামেই, একভাগও ফিরে এলো না

সিপিএম এবার আলিমুদ্দিন বেচে চা ফুলুরির দোকান দিক

৩৬৫ দিন। স্টেক হোল্ডার হয়েও অনেক চেষ্টা এবার সিপিএম করেছিল, যে রাম থেকে খানিকটা মুসলমান ভোট কেটে তৃণমূলের অসুবিধা করব এবং বিজেপির কিছু ভোট সিপিএমে ফেরত নিয়ে আসব। এই প্ল্যানিং এ সিপিএম টুম্পা সোনাদের শ্রীরামপুর, যাদবপুর লোকসভা সহ একাধিক লোকসভা কেন্দ্রে নামিয়ে ছিল। একটি বাংলা দৈনিক পত্রের সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট করে (পড়ুন আনন্দবাজার) আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল সিপিএম, ভোটের যে শতাংশ তারা বিজেপির পাদস্পর্শে দিয়েছিল, রামচন্দ্রের পাদস্পর্শে অর্ঘ্যে দিয়েছিল, সেই ভোটের কিছু শতাংশ যেন ফিরিয়ে আনা যায়। কিন্তু সিপিএমের এই চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। কীভাবে সিপিএমের এই চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হল তারি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হল।

১.ভোটের যে হিসেব তাতে যা লক্ষ্য করা যাচ্ছে সিপিএম ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল গত লোকসভা নির্বাচন অর্থাৎ ২০১৯ সালে। সেখানে বিজেপির ভোট সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে সিপিএমের ন্যূনতম ১৮ শতাংশ ভোট ছিল। সেই ১৮ শতাংশ ভোট থেকে সিপিএম 6 শতাংশ ভোট নিজের কাছে রেখে বিজেপিকে ১০ শতাংশ ভোট দিয়ে দেয়। ২০২১ এ সিপিএম এর ভোট ৪ শতাংশ তে চলে আসে। বিজেপির ভোট শতাংশ দাঁড়ায় ৩৮ শতাংশতে। ২০২৪ এ সিপিএম এর ভোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৫.০৩ শতাংশতে। অর্থাৎ ২০২১ এর তুলনায় ১ শতাংশ ভোট বাড়িয়েছে সিপিএম। বিজেপির ৩৮ শতাংশ ভোট দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ গতবার লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি যে ভোট টি পেয়েছিল বামেদের কল্যাণে সেই একই শতাংশ ভোট এবার ২০২৪ এ লোকসভা নির্বাচনেও তারা বামেদের কল্যাণেই একই ভোট ধরে রাখতে পেরেছে বিজেপি। অর্থাৎ এবার লোকসভা নির্বাচনে সিপিএম বিজেপি থেকে একটি ভোটও কাটতে পারেনি যা তারা কোনদিনই কাটতে চায়নি। বামেদের পুরো ভোটটাই রামে গেছে।

২.এবারের লোকসভা নির্বাচনে মহম্মদ সেলিম ছাড়া সুজন চক্রবর্তী সহ যেখানেই সিপিএম প্রার্থী দিয়েছে প্রত্যেকেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার অর্থ, সমস্ত ভোটের একভাগের ছয় ভাগ ভোট পেতে হবে প্রার্থীকে, যা সিপিএমের একমাত্র মহম্মদ সেলিমকে বাদ দিয়ে সবার ক্ষেত্রেই তা প্রযোজ্য হয়েছে। এতটুকু ভোটও সিকিওর করতে পারেনি সিপিএম। সিপিএমের বাজারে সৃজন ভট্টাচার্য, দিপ্সিতা ধরের মতো টুম্পা সোনারা প্রত্যেকের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এদের প্রচারের জন্য পার্টি থেকে বিপুল টাকা দেওয়া হয়েছিল। সেই টাকার একটি পয়সাও কেউ কোন খরচ করেনি। অর্থাৎ পুরো টাকাটাই চুরি করে ভোটে হেরে বাড়ি চলে গিয়েছে টুম্পা সোনারা।

৩.গতবার লোকসভা নির্বাচনে যা ফলাফল হয়েছিল, এবারও ঠিক একই ভাবে সিপিএমের ভোট বিজেপিতে চলে যাওয়ার ফলে একটি ভোটও তারা ফিরিয়ে আনতে পারেনি। বহুদিন আগেই সিপিএমের এক নেতা যিনি মানুষের ভাষা জানতেন, সেই সুভাষ চক্রবর্তী বলেছিলেন, ভোট নিজের থেকে একবার চলে গেলে তাকে ফিরিয়ে আনা ভয়ংকর কঠিন কাজ। কারুর বাড়িতে এক হাঁড়ির রসগোল্লা দিয়ে যদি বলা হয়, ভাই এটা রেখে দিন ৫ বছর বাদে ফেরত নেব, সেটা হয় না। ভোট টাকা পয়সা বা সোনার গয়না নয়, যে লোকের ভল্টে রেখে দেবে। ওটা রসগোল্লা সন্দেশের মতো, পেলেই টপাটপ খেয়ে নেবে।

৪.সিপিএমের টুম্পা সোনা প্রজন্মের একমাত্র অস্তিত্ব হল, সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারা যতদিন না সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বেরোতে পারবে ততদিন সিপিএমের এই একই দৃশ্য রূপ দেখতে পাওয়া যাবে। সিপিএমের এক প্রবীণ নেতা, মতাদর্শ গত কারণে পার্টি থেকে বিতাড়িত, বর্তমানে সিপিএমের সঙ্গে কোন সংশ্রব নেই এমন একজন ব্যক্তিত্ব বললেন, 'সিপিএমের এই টুম্পা সোনারা যতদিন না সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বেরিয়ে বুথ সংগঠনের দিকে মন দেবে, যতদিন না মানুষের কাছে যাবে, যতদিন না গ্রাম বাংলা, কল কারখানা কীরকম দেখতে জানবে, যতদিন না তারা যাদবপুরের মোহ ত্যাগ না করবে, ওদের বাপ দাদারা যেভাবে পার্টিতে বিলীয়মান হয়ে গেছে, যেভাবে পার্টিটার মৃত্যু ঘটেছে, ঠিক সেই ভাবে এই ভোটের পরে টুম্পা সোনারা বিলীয়মান হয়ে যাবে। এদেরকে কাউকে আর ২০২৬-এ বিধানসভা নির্বাচনে পাওয়া যাবে না।

Scroll to Top