হাইলাইট
।।উফ কী গরম ! Part-189।।রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে ফিরলেন রাজীব কুমার।।টালা ঝিলপার্ক, রাসেল স্ট্রিট, পাটুলিতে হচ্ছে স্ট্রিট ফুড হাব।।মানবিক মুখ্যমন্ত্রী : প্রাক্তন কারামন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ।।নামী রেস্তোরাঁর বিরিয়ানিতে বিষ রং পুরসভার জরিমানা ৩ লক্ষ টাকা।।উফ কী গরম ! Part-188।।শপথের জন্য রাজ্যপালকে আর্জি,রাজ্যপাল টালবাহানা করলে শপথ পাঠ করাবেন অধ্যক্ষ।।মিথ্যা ন্যারেটিভ ছড়িয়ে বাংলায় দাঙ্গার চক্রান্ত, অসমের গরু পাচারের ভিডিও হুগলির ঘটনা বলে প্রচার।।আকাশ দখল ঠেকাতে কেএমসি’র নয়া নীতি, তৈরি হবে নো হোর্ডিং জোন।।ত্রাতা মার্তিনেজ, কলম্বিয়াকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।।গাছেদের সুরক্ষায় কলকাতায় চালু হবে ট্রি অ্যাম্বুলেন্স।।শতবর্ষে বাদল সরকার,শহরে চলছে বাদল থিয়েটার মেলা।।আততায়ী কে? ২০ বছরের মেধাবী ছাত্র টমাস ম্যাথিউ ক্রুকস।।উফ কী গরম ! Part-187।।মার্কিন বন্দুকবাজের হাতে খুন ৪ প্রেসিডেন্ট, ৮ অল্পের জন্য রক্ষা
বিবি
Avinash

উফ কী গরম ! Part-189

উফ কী গরম ! HOT BIKINI নিকোল মিনেতি ৩৬৫ দিন। কম বয়সেই উচ্চতার শিখরে উঠেছিলেন।এক একটা সিঁড়ি পার করে এখন তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ।টেলিভিশন থেকে

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে ফিরলেন রাজীব কুমার

৩৬৫ দিন। ফিরে এলেন রাজীব কুমার। ফিরলেন রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল পদে। লোকসভা নির্বাচনের পরে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল রাজীব কুমারকে সরিয়ে দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

টালা ঝিলপার্ক, রাসেল স্ট্রিট, পাটুলিতে হচ্ছে স্ট্রিট ফুড হাব

৩৬৫ দিন। কলকাতা শহরের স্ট্রিট ফুডের সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের। ডেকারস লেন থেকে শুরু করে টেরিটি বাজারের স্ট্রিট ফুড বিশ্বের যে কোন দেশের স্ট্রিট ফুডের সঙ্গে পাল্লা

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

মানবিক মুখ্যমন্ত্রী : প্রাক্তন কারামন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ

৩৬৫দিন। মানবিক মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রাক্তন কারামন্ত্রী তথা আরএসপির নেতা বিশ্বনাথ চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য উদ্যোগী হলেন মুখ্যমন্ত্রী। ৭ বারের আরএসপি বিধায়ক দীর্ঘ দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছেন।

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

নামী রেস্তোরাঁর বিরিয়ানিতে বিষ রং পুরসভার জরিমানা ৩ লক্ষ টাকা

৩৬৫ দিন।কলকাতা পুরসভার অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।পার্ক সার্কাসের নামি বিরিয়ানির দোকানে মেশানো হচ্ছে রং।সেই রং যে বিষাক্ত তা ধরা পড়ল পরীক্ষা করে।রেস্তরাঁটির বিরিয়ানির নমুনা

Read More »
বিবি
Avinash

উফ কী গরম ! Part-188

উফ কী গরম ! HOT BIKINI মিডিয়াম জিওভেনালি ৩৬৫ দিন। জনপ্রিয় মডেল তো বটেই।তবে বডি বিল্ডার হিসেবেই বেশি বিখ্যাত তিনি।কিভাবে নিজের শরীর-স্বাস্থ্য সুস্থ রাখেন তিনি

Read More »
Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print

Sandeshkhali not Nandigram : বিমান বসুকে খোলা চিঠি নন্দীগ্রাম গণহত্যা ভুলে গেছেন নাকি? নন্দীগ্রাম গণহত্যায় নিহত ৬০, নিখোঁজ শতাধিক, রক্তপাতহীন সন্দেশখালির সঙ্গে নন্দীগ্রাম গণহত্যার তুলনা হাস্যকর

রামানন্দ চক্রবর্তী। টুটুল মোক্তার।

সন্দেশখালিতে মানুষ বলছেন, আমার জমি নিয়ে নোনা জল ঢুকিয়ে ভেড়ি করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে কেমিক্যাল হাব তৈরির জন্য জমি নির্দিষ্টকরণের কথা আলোচিত হয়েছিল। নন্দীগ্রামে এক ছটাক জমি তখন নেওয়া হয়নি। হঠাৎ করেই গতকাল এমন দাবি করে বসেছেন অশীতিপর বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বোদোরে ভট্টাচার্য যেমন মাঝেমধ্যেই এক একটা ঘটনায় বছর কয়েক পরে ভুল স্বীকার করে নেওয়ার বাতিকগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন বিমান বাবুর ক্ষেত্রে বাতিক গ্রস্ত না বলে তার স্মৃতিভ্রংশ হচ্ছে বলেই মনে হয়েছে গতকালের বক্তব্য শোনার পরে। তার প্রেক্ষিতেই অশীতিপর বিমান বাবুকে এই খোলা চিঠি। খোলা চিঠি পড়ে হয়তো তার পুরনো কিছু স্মৃতি ফিরে আসতে পারে!

মাননীয় বিমানবাবু একটু টাইম মেশিনে চড়ে চলুন ২০০৬ সালের বিধানসভা ভোটে যখন আপনারা অর্থাৎ আপনাদের সিপিএম এবং তথাকথিত বামফ্রন্ট রাজ্যের ২৩০ আসন জিতে ক্ষমতার দম্ভে মাটিতে পা ফেলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন সেই সময়ের প্রেক্ষিতে। তারপরে না হয় অন্য কোনদিন আলোচনা করা যাবে সন্দেশখালি নিয়ে। আপনার এই বয়সে মস্তিষ্কের উপরে এতখানি চাপ তৈরি করা ঠিক নয় হয়তো! কারণ সত্যজিৎ রায়ের সেই বিখ্যাত গল্প বিপিন চৌধুরীর স্মৃতিভ্রম গল্পটা মনে আছে তো? আপনার ক্ষেত্রেও মনে হয় তেমনি কিছু একটা ঘটেছে।

কি ঘটেছিল নন্দীগ্রামে

২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দার কাছ থেকে তাদের রুটি রুজির একমাত্র সম্বল উর্বর বহু ফসলি জমি কেড়ে নেওয়ার জন্য আপনার দলের সিপিএমের তৎকালীন সাংসদ দোর্দণ্ডপ্রতাপ লক্ষণ শেঠ জমি অধিগ্রহণের নোটিশ দিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নির্দেশে। দু চার বিঘে জমির ব্যাপার নয় প্রায় 25 হাজার একর জমি অধিগ্রহণের নোটিশ। যার বিরোধিতা করতে গিয়ে বুক দিয়ে নিজেদের জমি বাঁচাতে গিয়ে আপনার সরকারের পুলিশ আর মাসকেট সহ চটি পরা আপনাদের কুখ্যাত হার্মাদ বাহিনীর গুলিতে সরকারি হিসাব মত শুধুমাত্র একদিনেই নিহত হয়েছিলেন ১৪ জন নিরীহ গ্রামবাসী।
তবে ১৪ মার্চের প্লট তৈরি হয়েছিল লক্ষ্মণ শেঠের একটি নোটিসে। সালটা ২০০৬, তারিখ ২৮ ডিসেম্বর। বাংলায় তৎকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সরকার ঠিক করেছিল হলদিয়ার নদীর এপারে অর্থাৎ নন্দীগ্রামেও শিল্প করতে হবে কৃষি জমিতেই। নন্দীগ্রামের জমিতেই শিল্প গড়ে তুলবে ইন্দোনেশিয়ার সালেম গোষ্ঠী। সেই মতো ২০০৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর লক্ষ্মণ শেঠের নিয়ন্ত্রণাধীন হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের তরফে জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত একটি নোটিস জারি হয়। যেখানে জানানো হয় নন্দীগ্রামের ২৫ ও খেজুরির ২ মৌজা মিলিয়ে মোট ২৫ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করবে সরকার। আগেই ঘটে গিয়েছে সিঙ্গুর। তাই নন্দীগ্রামে তখন জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠে আগুন।
৭ জানুয়ারি ফের গুলি চলে নন্দীগ্রামে। মৃত্যু হয় পাঁচ জনের। গুলি চলেছিল শঙ্কর সামন্তের বাড়ি থেকে। তারপরই খেজুরির একটি সিপিএম ক্যাম্প ও সিপিএম সমর্থক শঙ্কর সামন্তের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় উত্তেজিত গ্রামবাসী। সেই আগুনেই দগ্ধ হয়ে মারা যান শঙ্কর। এই ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ, বিরোধী ও শাসক দলের মধ্যে একটি শান্তি বৈঠক করে। এই ঘটনায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য লক্ষ্মণ শেঠের নিয়ন্ত্রণাধীন হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের নোটিসকেও ভুল বলে মেনে নেন। বলেন সর্বদলীয় বৈঠক হবে এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতেই জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আরও দুমাস পরে।

কিন্তু সেইসব প্রতিশ্রুতি উড়িয়ে দিয়ে তেরো মার্চ তালপাটি খালের পাশ দিয়ে ঢুকে পড়ে প্রায় দশ হাজার পুলিশ এবং অন্তত ৪০০০ কুখ্যাত সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্যরা। তেখালি ব্রীজের পাশ দিয়ে এবং ভাঙাবেড়া ব্রিজের পাশ দিয়ে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে পুলিশ ঢুকেছিল নন্দীগ্রামে।

গণহত্যা ও গণধর্ষণের নৃশংস কাহিনী

সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে নন্দীগ্রামের গ্রামবাসীদের জমি আন্দোলনকে স্তব্ধ করার জন্য প্রথম থেকেই অ্যাকশন মোডে ঝাঁপিয়ে পড়ে বুদ্ধবাবুর পুলিশ। একদিকে যখন পুলিশ মাইকে ঘোষণা করছে সকলে নিজেদের জমি ছেড়ে বাড়িতে ফিরে যান সেই সময় শিশু ও মহিলা সহ গ্রামবাসীরা নিজেদের জমিতে দাঁড়িয়ে যে প্রতিবাদ আন্দোলন করছিলেন তাকে থামানোর জন্য মাস্কেট নিয়ে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে সিপিএমের কুখ্যাত হার্মাদ বাহিনী। তাদের পেছনে যোগ্য সঙ্গত দিতে শুরু করে পুলিশ। আর আন্দোলনের মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য হাতে খোলা তলোয়ার এবং লোহার রড নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে ন বছর থেকে শুরু করে ৭০ বছরের মহিলাদেরও প্রকাশ্যে তাদের পরিবারের সদস্যদের সামনেই উঠোনে অথবা রাস্তার উপরে গণধর্ষণ করতে শুরু করে সিপিএমের ক্যাডার বাহিনী। শুধুমাত্র ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে সিপিএমের ক্যাডার বাহিনীর হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন অন্তত 400 মহিলা। পরিবারের যে সমস্ত সদস্যরা অথবা কিশোর সন্তানেরা মা বোন বা দিদিমার সম্মান বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে তাদের পেটে লোহার রড ঢুকিয়ে অথবা তলোয়ারের খোঁচায় তাদের চোখের মনি বের করে এনে নৃশংস উল্লাসে মেতে উঠেছিল সিপিএম নেতারা। সেই সঙ্গে হাতি টানা ভ্যান রিক্সা দাঁড় করিয়ে তার উপরে যেমন ভাবে খাসির মাংসের দোকান থেকে মাংস কাটার পরে ছাগলের চামড়া নিয়ে যাওয়া হয় তেমনভাবেই মৃতদেহ গুলিকে বোঝাই করে ফেলে দিয়ে আসা হয়েছিল হলদি নদী আর তালপাটি খালের জলে।

নন্দীগ্রামে সরকারি হিসেবে গণহত্যার পরিসংখ্যান

নন্দীগ্রাম গণহত্যা – তিনটি গণহত্যা ঘটেছিল ২০০৭ সালে। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ ভূমি উচ্ছেদ কমিটির মঞ্চে পুলিশ গুলি চালিয়েছিল। ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন ১৪ জন। পরে ২০০৭ সালের ১০ নভেম্বর ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির মিছিলে গুলি চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তাতে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ১০ জনের। অন্যটি ঘটেছিল ২০০৭ সালের ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামের সিপিএম নেতার শংকর সামন্তের বাড়ি থেকে নিরীহ গ্রামবাসীদের আন্দোলন স্তব্ধ করার জন্য সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর চালানো গুলিতে অন্তত ৫ গ্রামবাসীর নিহত হওয়ার ঘটনা। যদিও এগুলো নিতান্তই আপনাদের সরকারের তৈরি করা এবং সরকারিভাবে স্বীকার করা গণহত্যার হিসেব।
সরকারি হিসেবে শুধুমাত্র ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামের পরিসংখ্যান ছিল ১৪ জন শহিদ, ১৬৮ জন বুলেটবিদ্ধ, ১৬ জন ধর্ষিতা। আহতদের নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্সও রেয়াপাড়ায় আটকানো হয়েছিল। এই পরিসংখ্যানের বাইরে, পরবর্তীকালে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যাদের কাছে প্রায় ৫৫০ জন মহিলা শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণের অভিযোগ গোপনে জানিয়েছিলেন।
বাংলায় সিপিএম আমলে ধর্ষণ বা গণনা শুনছিল রাজনীতি অন্যতম একটি অস্ত্র। পাশে ২০০৬ সালের সিঙ্গুরের কৃষক আন্দোলনের সময় সিপিএম নেতাদের হাতে তাপসী মালিককে গণধর্ষণ করে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার ঘটনা হোক অথবা নন্দীগ্রাম অথবা বানতলা ধানতলার মত প্রত্যেকটি ঘটনাতেই গণধর্ষণকে প্রথম এবং মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে বেছে নিতে সিপিএম। কিন্তু বিমান বাবু, আপনি হয়তো ভুলে গিয়েছেন সন্দেশখালিতে আজ পর্যন্ত একজন মহিলাও ধর্ষিতা বা গনধর্ষিতা হয়েছেন বলে প্রমাণ মেলেনি। কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার যে সমস্ত অভিযোগ ভাজপার বহিরাগত দুষ্কৃতীরা করে চলেছে সন্দেশখালিতে অথবা সিপিএমের মদত এবং আশ্রয় পেয়ে মুখে কাপড় ঢাকা কলকাতা এবং দক্ষিণ 24 পরগনা থেকে নিয়ে যাওয়া সিপিএমের মহিলা ক্যাডাররা তার তথ্য প্রমাণ তো দূরের কথা পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণও মেলেনি কোন ঘটনায়।

সন্দেশখালিতে বোধহয় আপনাদের একটা লাশ চাই

গত বেশ কয়েকদিন ধরে সন্দেশখালি নিয়ে আপনারা ভাজপার যোগান দেওয়া বিপুল টাকা নিয়ে যেভাবে ভাজপার দুষ্কৃতিদের সন্দেশখালীর আনাচে-কানাচে আশ্রয় দিয়েছেন এবং অশান্তির পরিবেশ তৈরি করে চলেছেন তা দেখে মনে হচ্ছে যেভাবেই হোক সন্দেশখালিকে নন্দীগ্রাম বানানোর জন্য আপনাদের মিনিমাম একটা লাশের প্রয়োজন। তাই বৃদ্ধ শকুনের মতো লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন সন্দেশখালীর দিকে। আপনার অবিলম্বে প্রয়োজন একজন মানসিক রোগের চিকিৎসকের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করে নিজের স্মৃতিভ্রম সরানো আর যদি মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন তাহলে আলাদা কথা।
প্রয়োজনে আমাদেরকেও জানাতে পারেন আপনাদের সরকার থাকার সময়ে বাংলার আরও কয়েকটা ঘটনার ফ্ল্যাশব্যাক না হয় তুলে ধরব আপনার স্মৃতি ফেরানোর জন্য!

Scroll to Top